ঢাকা   বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের তালিকায় বিএনপি নেতার স্ত্রী, ভাই-চাচাসহ আ. লীগ নেতাও

Authorস্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৬, ০২:৩৬ পিএম

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের তালিকায় বিএনপি নেতার স্ত্রী, ভাই-চাচাসহ আ. লীগ নেতাও

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্থ বোরো ধানের কৃষকের তালিকায় বিএনপি নেতা শরীফ উদ্দিনের স্ত্রী, ভাই ও চাচাসহ ৯ জনের নাম রয়েছে। এরমধ্যে রয়েছেন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা (শরীফ উদ্দিনের চাচা) খেলু মিয়ার নামও।

শরীফ উদ্দিন বানিয়াচং উপজেলার ৩ নং দক্ষিণ-পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসন ৩নং দক্ষিণ-পূর্ব ইউনিয়নের ১২৯ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করে। এরপরই উপজেলাজুড়ে শুরু হয় আলোচনা সমালোচনার।

প্রাপ্ত তালিকায় দেখা যায়, বিএনপির নেতা শরীফ উদ্দিনের স্ত্রী জুলেশা আক্তার রয়েছেন ৬২ নাম্বারে, ৯৬ নাম্বারে রয়েছেন ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি (শরীফ উদ্দিনের চাচা) খেলু মিয়ার নাম। ৫০ ও ৭৯ নাম্বারে শরীফ উদ্দিনের আপন দুই ভাই রুকুম আলী এবং সমশের আলী।

এছাড়া ২৭ এ রয়েছেন মামাত ভাই আব্দুর রশিদ, ৩২ নাম্বারে রয়েছেন তার আরেক চাচা ইঊছূফ আলী, তার আপন ভাগ্নে জিহাদ মিয়া আছেন ৪৮ এবং ১১০ নাম্বারে রয়েছেন তার (শরীফ উদ্দিনের) বেয়াই তোয়াহিদ মিয়ার নাম।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলা প্রশাসন ওই ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের তালিকা প্রস্ততের সময় সহায়ক ভূমিকায় ছিলেন শরীফ উদ্দিন । আর এ সুযোগে তিনি প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের বাদ দিয়ে তার স্ত্রী, ভাই ও চাচাসহ ৯ জন নিকটাত্মীর নাম দেন। আর এ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও তৃণমূল বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝেও চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির তৃণমূলের কয়েকজন নেতাকর্মীরা বলেন- ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের তালিকা করার সময় প্রশাসনের সাথে তিনি ছিলেন। এ সুযোগে তিনি নিজের ইচ্ছেমত আত্মীয় স্বজনের নাম তালিকায় দিয়ে দিয়েছেন। এমনকি আওয়ামী লীগের এক নেতার নামও দিয়েছেন। একজন নেতার এমন স্বজনপ্রীতি দলের জন্য দুর্নাম বয়ে আনবে।

উপজেলার ৩ নং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছামির আলী বলেন, তালিকায় যে এমন স্বজনপ্রীতি করা হয়েছে কয়েকজন নেতাকর্মী আমাকে জানিয়েছেন। এরকম কাজ দলের জন্য সাধারণ মানুষ দলকে দায়ী করে।

এসব অভিযোগ সম্পর্কে জানতে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দিনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুজিবুল হোসেন খানকে কয়েকবার ফোন দিলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা বেগম বলেন, বিষয়টি শুনছি তবে কোনো অভিযোগ পাইনি। যেহেতু এখন ঈদের বন্ধ। তাই ঈদের পরে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

 

বার্তা বাজার/এস এইচ

 

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!