যশোরের বাঘারপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আজগর আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিকেলে একটি পুরনো নাশকতার মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার আজগর আলীর বিরুদ্ধে আগে কোনও মামলা ছিল না বলে দাবি করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
আজগর আলীর ভাই আবদুল হান্নান অভিযোগ করেন, বাঘারপাড়া উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের বাড়িতে তিনি ও তার ছোট ভাই আজগর আলী বসবাস করেন। সোমবার দিবাগত রাত একটার দিকে পুলিশ তাদের বাড়িতে আসে। এ সময় তারা পুলিশকে মঙ্গলবার সকালে আসতে বলেন। কিন্তু পুলিশ তা শোনেনি। এ সময় ঘরের বাইরে রাখা কোদাল ও শাবল দিয়ে দরজা-জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে পুলিশ। তাতে ব্যর্থ হয়ে পুলিশ তাদের গালাগাল করতে থাকলে আজগর আলী ঘরের দরজা খুলে বাইরে আসেন। তখন পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।
তিনি বলেন, আজগর আলী একসময় যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে সে আওয়ামী লীগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কোনও কমিটিতে নেই। তার বিরুদ্ধে কোনও মামলাও নেই। আমরা পুলিশের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, কী কারণে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করছে। কিন্তু পুলিশ আমাদের কিছুই জানায়নি।
তবে আজগর আলীকে বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দাবি করে বাঘারপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহজালাল আলম বলেন, সোমবার দিবাগত রাতে বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। একটি পুরনো নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে ওই মামলার এজাহারে আজগর আলীর নাম নেই।
ওসি আরও বলেন, আজগর আলী দীর্ঘ সময় ঘরের দরজা খুলতে চাননি। এ জন্য আমরা দরজা খোলার চেষ্টা করেছি। তবে কোদাল ও শাবল দিয়ে ঘরের দরজা-জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা ও গালাগাল করার অভিযোগ ঠিক নয়।






