পাবনা-৩ ও পাবনা-৪ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবিতে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। শুক্রবার বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তারা পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।
এ সময় ‘অবৈধ নির্বাচন মানি না, মানব না’ এবং ‘ভোট গণনা বাতিল চাই, করতে হবে’সহ নানা স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যালয়ের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানে পুলিশ, বিজিবি ও অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়।
বিক্ষোভ চলাকালে পরাজিত দুই প্রার্থী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেন। জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদ মোস্তফা তাদের আবেদন নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে বলে জানান। পরে দুই প্রার্থী নেতাকর্মীদের নিয়ে সেখান থেকে চলে যান।
পাবনা-৩ আসনে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী হাসান জাফির তুহিন অভিযোগ করেন, নির্বাচনে প্রশাসনের ভূমিকা নিরপেক্ষ ছিল না এবং ভোট গণনায় কারচুপি হয়েছে। তিনি পুনর্গণনার আবেদন করেছেন বলে জানান। একই দাবি জানান পাবনা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আলীম বলেন, ‘দুই প্রার্থীর আবেদন ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এখন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।’
পাবনা-৪ আসনে ৩ হাজার ৮০১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আবু তালেব মন্ডল। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাবিবুর রহমান হাবিব পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭৪ ভোট।
পাবনা-৩ আসনে ৩ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আলী আজগার। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাসান জাফির তুহিন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট।






