ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে গণভোটও।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পথ পেরিয়ে আসা এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও ছিল এই গণভোট।
‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫’ এবং এর প্রস্তাবনাগুলোর পক্ষে কত ‘হ্যাঁ’ভোট পড়বে তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহলের শেষ নেই।
ভোটের আগে থেকেই সরকারের পক্ষ থেকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে দীর্ঘ প্রচার চালানো হয়। অন্যদিকে অনলাইনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের একটি অংশ এর বিপক্ষে প্রচার চালায়। ‘না’ ভোটের পক্ষেও ছিল নানা যুক্তি।
নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০টি।
অন্যদিকে, সংবিধান সংস্কারের বিপক্ষে অর্থাৎ ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬টি।
ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এবার গণভোটে মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬টি। বাতিল হয়েছে ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭টি ভোট।
সব মিলিয়ে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩টি, যা মোট ভোটের ৬০ দশমিক ৮৪ শতাংশ।
শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছিলেন, সংসদ নির্বাচনের চেয়ে গণভোটে ভোটের হার কিছুটা বেশি।
এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনায় চট্টগ্রামের দু’টি সংসদীয় আসনের (চট্টগ্রাম ২ ও ৪) নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত থাকলেও সেখানে গণভোটের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না। ফলে ওই দুই আসনের ভোটও গণভোটের চূড়ান্ত ফলাফলে যুক্ত হয়েছে।’






