ভোট পুনর্গণনার দাবিতে রংপুর-৪ আসনের হারাগাছ, কাউনিয়া ও পীরগাছা এলাকায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন বিএনপি মনোনীত পরাজিত প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসার কর্মী-সমর্থকেরা।
রোববার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয় অবরোধের ঘোষণা দেওয়া হয়।
শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রংপুর-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের কাউনিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবরোধ গড়ে তোলা হয়। এ সময় সড়কে বসে পড়েন এমদাদুল হক ভরসাও। অবরোধ চলাকালে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। এতে ঢাকার সঙ্গে লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের সড়ক যোগাযোগ প্রায় আড়াই ঘণ্টা বন্ধ থাকে।
এদিন বেলা ৩টার দিকে কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভরসার সঙ্গে কথা বলেন। পরে তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার কথা জানিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সড়কে আটকে থাকা যানবাহন সরিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
অবরোধ প্রত্যাহারের আগে এমদাদুল হক ভরসা অভিযোগ করেন, প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে তার ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে। দ্রুত পুনর্গণনার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ভোট গণনায় কালক্ষেপণ হলে আবারও আন্দোলনে নামবেন।
এদিকে ওই আসনে বিজয়ী সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিএনপি নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেছেন এবং তার নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালিয়েছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল আহসান জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী পুনর্গণনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পাশাপাশি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও আইন অনুযায়ী দেখা হবে।
রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী বলেন, ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






