বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচন আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বিষয়ে মঙ্গলবারই তফসিল ঘোষণা করা হবে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে এ দুই আসনের উপ-নির্বাচন পহেলা বৈশাখ অর্থাৎ ১৪ এপ্রিলের আগেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছিল সরকার।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসনে বিজয়ী হন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পরে তিনি সংসদ সদস্যদের শপথের আগে ১৬ ফেব্রুয়ারি কমিশনে ঘোষণাপত্র দাখিল করে ঢাকা-১৭ আসনের প্রতিনিধিত্ব করার ইচ্ছা জানান। ফলে একই তারিখ থেকে বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।
নিয়ম অনুযায়ী, একাধিক আসনে নির্বাচিত হলে একজন প্রার্থীকে একটি আসন ছেড়ে দিতে হয়। সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। কাজেই শূন্য হওয়া আসনে উপনির্বাচনের আয়োজন করছে ইসি।
অন্যদিকে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর ঘটনায় ৪ ফেব্রুয়ারি আসনটিতে নির্বাচন স্থগিতের ঘোষণা দেয় কমিশন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭(১) অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর এবং ভোটগ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচন কার্যক্রম বাতিল বা স্থগিত করতে হয়। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই কমিশনের স্বীকৃত বৈধ প্রার্থী হতে হবে।
প্রার্থীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্বাচন স্থগিতের ঘোষণা দেন এবং পরবর্তী সময়ে নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়। শেরপুর-৩ আসনের ক্ষেত্রেও একই বিধান অনুসরণ করা হয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের ফলাফলে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। জোটসঙ্গীদের তিনটি আসন মিলিয়ে বিএনপি জোটের আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ২১২।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ৭৭টি আসনে জয় পেয়ে বিরোধী দলের আসনে বসেছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে।






