মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নতুন করে সতর্কবার্তা এসেছে। বিমান হামলায় ক্ষয়ক্ষতি হলেও তেহরানের হাতে এখনও বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে বলে মার্কিন এক সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। আর ইরানের এই শক্তি যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানের সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দেশটির কাছে এখনও ‘হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র’ এবং একমুখী (ওয়ান-ওয়ে) আক্রমণকারী ড্রোন রয়েছে। আর এটি অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।
বৃহস্পতিবার আইনপ্রণেতাদের সামনে এ তথ্য তুলে ধরেন ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেমস অ্যাডামস। তিনি আরও জানান, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান-সমর্থিত শিয়া মিলিশিয়ারা যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর ওপর ‘শত শত’ হামলা চালিয়েছে।
ইরানের সঙ্গে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলা আপাতত বন্ধ রয়েছে। তবে এই হামলার ফলে ইরানের সামরিক সক্ষমতায় ‘উল্লেখযোগ্য অবনতি’ ঘটেছে বলে জানান অ্যাডামস। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক উপকমিটিতে এ কথা বলেন।
এদিকে এপ্রিলের শুরুর দিকে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন অনুযায়ী ইরানের প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এখনও অক্ষত রয়েছে। পাশাপাশি দেশটির কাছে এখনও হাজার হাজার একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন এবং বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে।
যদিও সেসময় অর্থাৎ সিএনএন-এর ওই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিমান হামলা অব্যাহত ছিল।
বার্তা বাজার/এস এইচ






