ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের বাছাইয়ে বিএনপি জোটের ৩৬ জনের সবার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র বাছাই করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি জোটের ৩৬ জনের মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বৈধ ঘোষণা করা হলো। স্বতন্ত্র জোটের একজনের মনোনয়নপত্রও গ্রহণ করা হয়েছে।’
এ সময় সহকারি রিটার্নিং অফিসার ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, কোন দল বা জোটের সমর্থন না থাকায় আলাদাভাবে জমা দেওয়া তিনজনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল করা হয়েছে।
বিএনপি জোটের বৈধ প্রার্থীরা হলেন-মাহমুদা হাবিবা, সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোছাম্মৎ ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জীবা আমিনা খান, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা, রেজেকা সুলতানা।
অন্যদিকে, স্বতন্ত্র জোটের পক্ষ থেকে ছাত্রদলের সাবেক (শ্রাবণ-জুয়েল কমিটির) সহ সভাপতি সুলতানা জেসমিন জুঁই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা। এ ছাড়া দল ও জোটের বাইরে জয়পুরহাটের মেহেরুন নেছা, ঝিনাইদহের মাহবুবা রহমান, শামীমা আক্তারের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল করা হয়।
এর আগে বুধবার জামায়াত জোটের বাছাইয়ে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়, একজনের মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়। স্থগিত থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মনিরা শারমিনের বিষয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে
তফসিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি শেষে ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় রয়েছে। ১২ মে ভোটের তারিখ নির্ধারিত আছে।
মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে আসন সংখ্যার সমান সংখ্যক বৈধ প্রার্থী হলে (একজন) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন তারা। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় পার হলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে সংসদ সদস্য হিসেবে গেজেট প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।
আইন অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে ভোটে জয়ী দল বা জোটের আসন সংখ্যার অনুপাতে সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়। সে অনুযায়ী বিএনপি ও তার মিত্ররা ৩৬, জামায়াত জোট ১৩ ও স্বতন্ত্র জোট একটি আসনে পেয়েছে এবার।
সংরক্ষিত আসনে ভোটাভুটির নজির নেই। দল ও জোটের সমান সংখ্যক প্রার্থী থাকায় বরাবরই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন প্রার্থীরা।






