ঢাকা   বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

সংঘাত ও হানাহানির রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে : হুইপ দুলু

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫২ পিএম

সংঘাত ও হানাহানির রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে : হুইপ দুলু

সংঘাত ও হানাহানির রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। এ সময় তিনি সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে সংসদীয় ইতিবাচক কালচারের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এসব কথা বলেন রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।

তিনি বলেন, ‘যাদের রক্তের বিনিময়ে আমিসহ আমরা সবাই আজ এই জাতীয় সংসদে আছি এবং গণতন্ত্র পেয়েছি তাদের শ্রদ্ধা জানাই।’

এর আগে সংসদে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের বক্তব্য ঘিরে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। তিনি এগুলো থেকে অর্থাৎ সংঘাত ও হানাহানির রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানানা। তিনি বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে আমার ভাই ফজলুর রহমান বক্তব্য দিয়ে গেছেন। তিনি আমার চেয়ে বয়সে বড়। আমার রাজনীতির জীবনে আমি কিছু কিছু রাজনীতির সাক্ষী। আমি যখন প্রথমে সংসদে আসি তখন বিরোধী দলে ছিলাম; ১৯৯৬ এর নির্বাচনের পরে যে ভাষা সরকারি দল ব্যবহার করেছে, তখনকার দৃশ্য ভাষায় বলা যায় না।’

তিনি বলেন, ফজলু (ফজলুর রহমান) ভাইদের মতো মুক্তিযোদ্ধারা লড়াই করে এদেশ স্বাধীন করেছেন। শেখ হাসিনার (পলাতক স্বৈরশাসক) বাবা শেখ মুজিব এই সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, কোথায় সিরাজ শিকদার।

এই হত্যার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যা শুরু হয়। পরে আবার আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বেগম খালেদার নেতৃতে বিএনপি ক্ষমতায় এলো। তখন জামায়াতে ইসলামীও আমাদের সঙ্গে ছিল। ক্ষমতায় আসার পর বিরোধী দলীয় নেতা (হাসিনা) ছিলেন এখানে। উনি সংসদে দাঁড়িয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে বললেন—এক দিনের জন্যও আমি আপনাকে শান্তিতে থাকতে দেব না। এটা গণতন্ত্র? এই গণতন্ত্রের জন্যই কি আমরা সেদিন আন্দোলন করেছিলাম?’

সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধী দলীয় নেতাকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জাতীয় সংসদের হুইপ বলেন, ‘তারা যে কালচার শুরু করেছেন সেটার জন্য কৃতজ্ঞতা। তারেক রহমান ও শফিকুর রহমান সাহেব এই ইতিবাচক সংসদীয় কালচারের চর্চা শুরু করেছেন, যতই ষড়যন্ত্র হোক, ফ্যাসিস্টরা যেন আর সুযোগ না পায়।’

এ সময় তিনি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সময়ের সংসদীয় ও রাজনীতির নেতিবাচক কালচার থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন ফ্যাসিস্টমুক্ত। আগামী দিনে যদি জনগণ আমাদের ভোট না দেয় আমরা বিরোধী দলের আসনগুলোতে বসব। ফ্যাসিস্টরা যেন সুযোগ নিতে না দিতে পারে। আমাদের নেতা (প্রধানমন্ত্রী) সম্পর্কে, তার পরিবার সম্পর্কে যেসব কুরুচিপূর্ণ বিষয় চালাচালি হচ্ছে এসব বন্ধ করতে হবে।’

সাংবাদিকদের বেতন ও বৃদ্ধি নিয়ে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। তাদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য ওয়েজ বোর্ড দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। এখনো নবম ওয়েজ বোর্ড চলছে। কিন্তু অনেক মালিকদের কারণে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। সাংবাদিকরা ভালো থাকলে আমরাও ভালো থাকব। সাংবাদিকরা নিয়মিত বেতন পান না। যেভাবে সরকারি কর্মচারীরা বেতন পেয়ে থাকেন সেভাবে যোগ্যতা অনুযায়ী সাংবাদিকদের বেতন দেওয়া হোক।’

তিনি আরো বলেন, ‘সাংবাদিকতার নামে অনেকে আমাদের চরিত্র হনন করেছেন। যারা ওয়ান-ইলেভেনের নায়ক ছিল, যারা ওয়ান-ইলেভেন নিয়ে এসেছিল, যারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে এসেছিল, যারা ইসলামকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল, যারা আমাকে জঙ্গি বানিয়েছিল, ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলামকে জঙ্গি বানিয়েছিল, যারা মতিউর রহমান নিজামীকে জঙ্গি বানিয়েছিল, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে জঙ্গি বানিয়েছিল, এই সমস্ত সাংবাদিককে অবশ্যই জবাবদিহির মধ্যে আনতে হবে। এদের আইনের আওতায় আনতে হবে।’

 

বার্তা বাজার/এমএমএইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!