রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এ একাডেমিক পরীক্ষায় নকল ও অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে পাঁচ শিক্ষার্থীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ডিসিপ্লিনের সভায় অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের দুই শিক্ষার্থী, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী, পুরকৌশল (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং) বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী এবং যন্ত্রকৌশল (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং) বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী শাস্তির আওতায় পড়েছেন।
বোর্ড অব ডিসিপ্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা রক্ষা, শিক্ষার্থীদের আচরণবিধি তদারকি, অনিয়ম-অপরাধ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। সংশ্লিষ্ট সভায় পরীক্ষার হলে অননুমোদিত উপকরণ বহন ও ব্যবহারের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করা হয়।
সভা সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত পাঁচ শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের কাছ থেকেই পরীক্ষার সময় অননুমোদিত উপকরণ জব্দ করা হয়েছে। কারও কাছে হাতে লেখা নোট, কারও কাছে চিরকুট, আবার কারও কাছে বিষয়ভিত্তিক সূত্র ও তথ্যসংবলিত কাগজ পাওয়া যায়। তবে কর্তৃপক্ষ শাস্তিপ্রাপ্তদের নাম প্রকাশ করেনি।
এ বিষয়ে বোর্ড অব ডিসিপ্লিনের সদস্য সচিব ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালক রবিউল ইসলাম সরকার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে নৈতিকতা ও একাডেমিক সততা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অসদুপায় অবলম্বন শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এ ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং নৈতিক মানদণ্ড প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের পদক্ষেপ ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।’
বার্তা বাজার/এমএমএইচ






