ঢাকা   শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

এক বছর পর মিয়ানমারের ৯৬৩ পিস কাঠবোঝাই ট্রলার টেকনাফ বন্দরে ভিড়েছে

Authorস্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ০১ মে ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম

এক বছর পর মিয়ানমারের ৯৬৩ পিস কাঠবোঝাই ট্রলার টেকনাফ বন্দরে ভিড়েছে

মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয়বাহিনী ও দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সাথে সংঘাতের কারনে প্রায় এক বছর সীমান্ত বানিজ্য বন্ধ থাকার পর অবশেষে ৯৬৩ পিছ কাঠবোঝাই একটি ট্রলার টেকনাফ স্থল বন্দরে ভিড়েছে। ফলে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, আজ শুক্রবার সকালে মিয়ানমারের মংডু থেকে ট্রলারটি ছেড়ে দুপুর দেড়টা নাগাদ টেকনাফ বন্দরে ভিড়েছে। এর আগে চলতি মাসে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পৃথক ভাবে বন্দর পরিদর্শন করে গেছেন।

বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেডের টেকনাফ শাখার মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী ‘বার্তা বাজার’কে জানান, একটি কাঠবোঝাই ট্রলার বন্দরে পৌঁছেছে। ট্রলারটিতে ৯৬৩ পিছ (৬০/৭০ এম কিউ) কাঠ রয়েছে।

টেকনাফ স্থল বন্দরের মাঝি শামসুল আলম বলেন, দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় পর একটি কাঠ বোঝাই ট্রলার বন্দরের ভিড়েছে। দ্বীর্ঘদিন পর বন্দর প্রাণ ফিরে পাওয়ায় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

কাঠের আমদানীকারক ফারুক এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্বাধিকারী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ফারুক জানান, সকালে মিয়ানমারের মংডুর হায়েংখালী খাল থেকে বোটটি টেকনাফের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। দ্বীর্ঘ একবছর পর অক্লান্ত চেষ্টায় ব্যাবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের উদ্যোগে সীমান্ত বানিজ্য সচল হওয়ায় ব্যবসায়িদের মাঝে অনিশ্চিত উঠকন্ঠা কেটেছে। আশা করি এখন থেকে সীমান্ত বানিজ্যে আমদানী-রপ্তানীতে আর কোনো বাঁধা থাকবেনা।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের শেষ দিকে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি রাখাইনের প্রায় ২৭০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা দখলে নেয়। এরপর থেকে নাফ নদীতে আধিপত্য বিস্তার শুরু করে। ফলে গেলো বছরের এপ্রিল মাসের শুরুতে আরাকান আর্মি পণ্যবাহী জাহাজ থেকে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে মিয়ানমার সরকার সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ ঘোষণা করে। সর্বশেষ গেলো বছর ১৩ এপ্রিল কাঠবোঝাই ট্রলার বন্দরে পৌছানোর পর আর কোন ট্রলার বন্দরে ভিড়েনি। ফলে শতাধিক আমদানি-রপ্তানিকারক বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েন। পাশাপাশি অন্তত ৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব হারায় বাংলাদেশ।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ- মিয়ানমার সীমান্ত বাণিজ্য চালু হয়। পরবর্তীতে ২০০৩ সালের টেকনাফ স্থলবন্দর যাত্রা শুরু করে।

 

বার্তা বাজার/এস এইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!