ঢাকা   রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

মধ্যপ্রাচ্যে ৮৬০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬, ০২:৫০ এএম

মধ্যপ্রাচ্যে ৮৬০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর কাছে ৮৬০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কংগ্রেসের বাধ্যতামূলক পর্যালোচনা প্রক্রিয়া এড়াতে জরুরি পরিস্থিতির অজুহাত দেখিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। গত শুক্রবার পৃথক ঘোষণায় এসব তথ্য জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

অস্ত্র পাওয়ার জন্য অনুমোদন পাওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে– ইসরায়েল, কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, জরুরি নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে দ্রুত অস্ত্র সরবরাহ প্রয়োজন হওয়ায় কংগ্রেসের পর্যালোচনা প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে।

এই অস্ত্র বিক্রির সবচেয়ে বড় চুক্তিটি হয়েছে কাতারের সঙ্গে। দেশটিকে ৪০১ কোটি ডলারের প্যাট্রিয়ট বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনঃসরবরাহ সেবা দেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রায় ৯৯ কোটি ২৪ লাখ ডলারের অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল উইপন সিস্টেমস (এপিকেডব্লিউএস) পাওয়ার অনুমোদনও পেয়েছে দেশটি।

কুয়েতকে ২৫০ কোটি ডলারের সমন্বিত যুদ্ধ পরিচালনা ব্যবস্থা বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই ধরনের এপিকেডব্লিউএস ব্যবস্থা ইসরায়েলের কাছেও প্রায় ৯৯ কোটি ২৪ লাখ ডলারে বিক্রি করা হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য অনুমোদিত অস্ত্র বিক্রির পরিমাণ ১৪ কোটি ৭৬ লাখ ডলার।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্যমতে, কাতার, ইসরায়েল ও আমিরাতের জন্য এপিকেডব্লিউএস সরবরাহে প্রধান ঠিকাদার হিসেবে কাজ করবে বিএই সিস্টেমস। অন্যদিকে কুয়েতের যুদ্ধ পরিচালনা ব্যবস্থা এবং কাতারের প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা কর্মসূচিতে প্রধান ঠিকাদার হিসেবে রয়েছে আরটিএক্স ও লকহিড মার্টিন। কুয়েতের প্রকল্পে নর্থথ্রপ গ্রুম্যানও আছে।

মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ওয়াশিংটনের সামরিক সম্পর্ক সমালোচনার মুখে রয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, কুয়েত, কাতার ও আমিরাতে সংখ্যালঘু, সাংবাদিক, ভিন্নমতাবলম্বী, শ্রমিক ও এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের ওপর বিভিন্ন ধরনের দমনপীড়ন চালানো হয়। যদিও দেশগুলো এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এদিকে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নিয়েও আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা বাড়ছে। বিভিন্ন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ও জাতিসংঘের তদন্তে সেখানে গণহত্যা
পরিস্থিতির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র বরাবরের মতোই তার আঞ্চলিক মিত্রদের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রেখেছে।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!