ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির অনুমোদন ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় না। রোববার (২৪ মে) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের প্রধান ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় তেহরান ও ওয়াশিংটন আরোপিত যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে আলোচনায় এগিয়ে যাওয়ার মুহুর্তে তিনি এই মন্তব্য করলেন।
পেজেশকিয়ান বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানে সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামোর বাইরে এবং সর্বোচ্চ নেতার সমন্বয় ও অনুমতি ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, কূটনৈতিক ক্ষেত্রে যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তখন সব প্রতিষ্ঠান, প্ল্যাটফর্ম ও রাজনৈতিক প্রবাহকে সেটির পক্ষে সমর্থন দিতে হবে, যাতে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পক্ষ থেকে বিশ্বের কাছে একটি একক ও সুসংহত বার্তা পৌঁছায়।
প্রেসিডেন্ট আরও উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক আগ্রাসী যুদ্ধে শত্রুপক্ষের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল সত্যের কণ্ঠস্বর এবং রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের তথ্যভিত্তিক বয়ানকে স্তব্ধ করে দেওয়া।
তিনি জাতীয় গণমাধ্যমের কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান, বিশেষ করে যেসব সাংবাদিক ও কর্মী মাঠপর্যায়ে থেকে মুহূর্তে মুহূর্তে পরিস্থিতির খবর প্রচার করেছেন।
পেজেশকিয়ান বলেন, আমরা যদি সবাই সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশনার কাঠামোর মধ্যে থেকে একসঙ্গে এগিয়ে যাই এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখি, তাহলে শত্রুরা কখনোই দেশের বিরুদ্ধে তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে না।
এসময় তিনি ইরানবিরোধী কিছু গোষ্ঠীর সমালোচনা করেন, যারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি শাসনের কাছে দেশটিকে ধ্বংস ও খণ্ডিত করার প্রত্যাশা করে। তাদের জাতির বিবেকের কাছে জবাবদিহি করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সূত্র : প্রেস টিভি






