ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

আম্মারের বিরুদ্ধে হল সংসদের জিএসকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

Authorরেডিও বার্তা অনলাইন

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৯:৪২ এএম

আম্মারের বিরুদ্ধে হল সংসদের জিএসকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নুরুল ইসলাম শহিদকে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে। গতকাল ​বুধবার (১৭ জুন) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে নুরুল ইসলাম শহিদ এই অভিযোগ করেন। তবে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার অভিযোগের বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।

​ফেসবুক পোস্টে নুরুল ইসলাম শহিদ লিখেন, আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখতে তিনি ও তাঁর হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী হবিবুর রহমান হল মাঠে যান। খেলার প্রায় ৩০ থেকে ৩১ মিনিটের সময় রাকসুর ভিপি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ এবং হবিবুর রহমান হল সংসদের জিএস আশিক শিকদার তাঁকে তাঁদের পাশে বসে খেলা দেখার জন্য ডাকেন। পরে তিনি এলইডি স্ক্রিনের পাশে সুতা দিয়ে ঘেরা নির্ধারিত স্থানে গিয়ে ভিপির পাশে বসেন।

তিনি অভিযোগ করেন, খেলা দেখার প্রায় এক মিনিট পর রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও সহক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ সামি সেখানে আসেন। এ সময় ভিপি একটি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে স্থান ত্যাগ করলে আম্মার তাঁকে ওই স্থান থেকে সরে যেতে বলেন। কারণ জানতে চাইলে আম্মার তাঁর গেঞ্জির কলার ধরে টানাটানি করেন এবং সেখানে কেউ থাকতে পারবে না বলে জানান। একপর্যায়ে তাঁকে জোরপূর্বক দড়ির ভেতরের স্থান থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে শহিদ আরও উল্লেখ করেন, এ ঘটনার পর কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ভিপি ঘটনাস্থলে ফিরে আসেন। তখন তিনি ভবিষ্যতে রাকসুর কোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণে অনাগ্রহের কথা জানান। পরে ভিপি তাঁকে অন্যত্র নিয়ে যান।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা রাকসুর সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ নূন এ বিষয়ে বলেন, ‘আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম, তবে স্ক্রিনের পাশে সাউন্ড বক্সের একদম সামনে থাকায় মূলত কী কথা বা গালাগালির ঘটনা ঘটেছে তা স্পষ্টভাবে শুনতে পাইনি। তখন মনে হয়েছিল সামান্য কোনো ঝামেলা হয়েছে। পরে ফেসবুকে তার (শহিদ) পোস্টটি দেখতে পাই।’

তবে মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করেছেন রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি দাবি করেন, ‘রাকসুর আয়োজনে সবাই সমান। শৃঙ্খলার স্বার্থে আমরা চেষ্টা করেছি কোনো ঝামেলা ছাড়াই আয়োজনটি সুন্দর করার। স্ক্রিনের বাম পাশে আমাদের বোনেরা (ছাত্রীরা) বসেছিলেন। সামনে কেউ দাঁড়ালে তাঁদের খেলা দেখতে অসুবিধা হচ্ছিল। আমি দায়িত্ব পালনের জন্য ভেতরের এক কোনায় দাঁড়িয়ে ছিলাম এবং সেখানে কাউকে আসতে দিচ্ছিলাম না।’

​তিনি আরও বলেন, ‘হঠাৎ সে (শহিদ) আসায় পেছনের বোনদের খেলা দেখতে সমস্যা হচ্ছিল। আমি তাকে স্ক্রিনের ডানপাশে ভিপির সঙ্গে গিয়ে বসতে বলি। কিন্তু সে সেখান থেকে বের হয়ে গালি দিতে দিতে চলে যায়। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি, তার গায়ে আমি একটুও স্পর্শ করিনি বা টি-শার্টে হাত দিইনি। সে যে পরিমাণ বাজে ভাষা ব্যবহার করেছে, বড় কোনো ঝামেলা এড়াতে আমি টুঁ শব্দটিও করিনি। তার উগ্র আচরণের কথা ক্যাম্পাসের সবাই জানে।’

 

বার্তা বাজার/এস এইচ

 

 

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন