পাকিস্তানজুড়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র আশুরা। কারবালার যুদ্ধে হযরত ইমাম হুসাইন (রাঃ) এবং তার সঙ্গীদের অতুলনীয় আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতে বিভিন্ন শহর ও নগরে শোক মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে।
কারবালার শহীদদের এবং ইসলামের জন্য তাদের অবিচল আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আলম, তাজিয়া ও জুলজানাহ মিছিলেরও আয়োজন করা হচ্ছে।
আশুরার শান্তিপূর্ণ উদযাপন নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ করতে কর্তৃপক্ষ দেশজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বিবৃতিতে সত্য, ন্যায়বিচার, ধৈর্য, ঐক্য, আন্তঃসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহনশীলতা প্রসারের মাধ্যমে কারবালার চিরন্তন বার্তা গ্রহণ করার জন্য জাতির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
মিয়ানমার হয়ে বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়েরমিয়ানমার হয়ে বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
প্রেসিডেন্ট জারদারি তার বার্তায় বলেন, আশুরা ইসলামি ইতিহাসের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন, যা মুসলমানদের ত্যাগ, অধ্যবসায়, সত্যবাদিতা ও দৃঢ়তার মূল্যবোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি বলেন, কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা একটি চিরন্তন শিক্ষা, যা প্রমাণ করে যে মিথ্যা ও নিপীড়নের মুখে সত্য, ন্যায়বিচার, সততা ও মানুষের মর্যাদার সঙ্গে কখনো আপোস করা উচিত নয়।
প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ তার বার্তায় বলেন, আশুরা এমন একটি দিন যা ঈমান, ধৈর্য, ত্যাগ, সত্য এবং সমাজ সংস্কারের চিরন্তন শিক্ষা দেয়। তিনি বলেন, হযরত ইমাম হুসাইন (রা.) এবং তার সঙ্গীদের আত্মত্যাগ নিপীড়ন ও অত্যাচারের মুখে ন্যায়বিচার, সততা এবং মানবিক মর্যাদার পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর এক চিরস্থায়ী দৃষ্টান্ত।
সূত্র: জিও নিউজ
বার্তা বাজার/এস এইচ






