‘আমাদের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে, ফিফা হয়তো মেসিকে টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিল’
স্পোর্টস ডেস্ক : বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না লিওনেল মেসির দল আর্জেন্টিনার। মিসরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু তাদের এই জয় নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ উঠছে রেফারি ও ফিফার বিরুদ্ধে। মিসরের কোচ হোসাম হাসান তো সরাসরি বলেছেন, ‘আমাদের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে। তারা (ফিফা) হয়তো মেসিকে টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিল।’
বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না লিওনেল মেসির দল আর্জেন্টিনার। মিসরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু তাদের এই জয় নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ উঠছে রেফারি ও ফিফার বিরুদ্ধে। মিসরের কোচ হোসাম হাসান তো সরাসরি বলেছেন, ‘আমাদের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে। তারা (ফিফা) হয়তো মেসিকে টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিল।’
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা ও মিসর।
ম্যাচ শুরুর ১৪তম মিনিটে ক্রস থেকে হেড করে আর্জেন্টিনার জালে বল জড়ান মিসরের ইয়াসির ইব্রাহিম। ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে আর্জেন্টিনা। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫৮তম মিনিটে দুর্দান্ত কাউন্টার অ্যাটাকে মিশরের হয়ে গোল করে মোস্তফা জিকো। কিন্তু গোলটি বাতিল করে দেন রেফারি। ৬৭ মিনিটে দ্বিতীয় গোল হজম করে আর্জেন্টিনা। এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় লিওনেল স্কালোনির দল। খেলার ৭৯ মিনিটের মাথায় প্রথম গোল পায় মেসিরা। এরপর পরপর আরও দুটি গোল। মাত্র ১৩ মিনিটে তিন গোল করে ২–০ ব্যবধান থেকে ৩–২ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে যায় আর্জেন্টিনা।
ম্যাচ শেষে মিসর কোচ হোসাম হাসান এমন হারের পেছনে ফিফা ও রেফারিকে দায়ী করছেন।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের চেয়ে আমরা ভালো খেলেছি। প্রায় সব দিকেই আমরা এগিয়ে ছিলাম। কিন্তু মাঠের ভেতরের কিছু সিদ্ধান্ত এবং মাঠের বাইরের কিছু বিষয় ম্যাচের ফলকে প্রভাবিত করেছে। তারা হয়তো চেয়েছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা টুর্নামেন্টে টিকে থাকুক। হয়তো তারা চেয়েছিল মেসি প্রতিযোগিতায় থাকুক।’
মিসর কোচ বলেন, ‘সবাই দেখেছে আমাদের খেলোয়াড়ের জার্সি টেনে ধরা হয়েছিল। অথচ সেটিও ভিএআরে দেখা হয়নি। মোহাম্মদ সালাহর ওপর হওয়া ফাউলের ঘটনায় সম্ভাব্য পেনাল্টি দেওয়া হয়নি, এমনকি ভিএআরেও দেখা হয়নি। আমাদের দ্বিতীয় গোলও অদ্ভুতভাবে বাতিল করা হয়েছে।’
হাসান জানান, আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েকে রেফারি নিয়োগ নিয়ে তাদের আপত্তি ছিল।
তিনি বলেন, ‘ফ্রান্স-আর্জেন্টিনার অতীতের কারণে আমরা রেফারি নির্বাচনের বিরোধিতা করেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভুগতে হয়েছে আমাদেরই। ম্যাচ শেষে আমি রেফারিকে বলেছি, এটা অন্যায়।’
প্রচণ্ড আফসোস করে মিসর কোচ বলেন, ‘আমরা সম্মান বা ফেয়ার প্লে কিছুই পাইনি। বাস্তব জীবন অন্যায্য হতে পারে, কিন্তু খেলাধুলায়ও কেন ন্যায্যতা থাকবে না? এই ম্যাচের ফল এবং যেভাবে সবকিছু ঘটেছে, তাতে আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। এই টুর্নামেন্টের আর কোনো ম্যাচ আমি দেখব না।’






