ঢাকা   শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয় এসেছে তিনটি কারণে

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৩ এএম

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয় এসেছে তিনটি কারণে

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয় এসেছে তিনটি কারণে

স্পোর্টস ডেস্ক : ফুটবলে কিছু মুহূর্ত থাকে, যা পুরো ম্যাচের গল্প বদলে দেয়। আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালও তেমনই একটি ম্যাচ।

একসময় মনে হচ্ছিল, ইংল্যান্ড হয়তো ফাইনালের টিকিট কেটে ফেলেছে। ৫৫ মিনিটে এন্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর তারা নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করছিল। কিন্তু বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত দেখিয়েছে কেন তারা বড় ম্যাচে এত ভয়ংকর।

আমার চোখে ম্যাচের সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট ছিল ইংল্যান্ডের লিড নেওয়ার পর তাদের মানসিকতা বদলে ফেলা।

গোল করার আগে ইংল্যান্ড ছিল সাহসী, আক্রমণাত্মক। তারা আর্জেন্টিনার মাঝমাঠে চাপ দিচ্ছিল, দ্রুত আক্রমণে যাচ্ছিল; কিন্তু গোলের পর তারা ধীরে ধীরে নিচের দিকে পিছিয়ে গেল। আর্জেন্টিনাকে বল নিয়ে এগিয়ে আসার জায়গা দিল, আক্রমণ সাজানোর সময় দিল। আর এই সুযোগই কাজে লাগিয়েছেন লিওনেল মেসিরা।

আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তারা কখনো ম্যাচ থেকে মনোযোগ সরিয়ে ফেলে না। ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও তাদের শরীরী ভাষায় হতাশা দেখা যায়নি। তারা জানত, একটি সুযোগই ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে। শেষ ১৫ মিনিটে তারা চাপ বাড়াতে থাকে, ইংল্যান্ডের রক্ষণকে একের পর এক পরীক্ষায় ফেলে। এরপর আসে এনসো ফের্নান্দেসের সেই মুহূর্ত।

৮৫ মিনিটে তাঁর দুর্দান্ত ফিনিশিং শুধু একটি গোল ছিল না; সেটি ছিল আর্জেন্টিনার আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার মুহূর্ত। এতক্ষণ যে দলটি গোলের জন্য লড়ছিল, সেই দল হঠাৎ বিশ্বাস করতে শুরু করল যে এই ম্যাচ জেতা সম্ভব। তবে এই ম্যাচের আসল নায়ক আবারও লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সেও তিনি দেখিয়েছেন, বড় মুহূর্তে বড় খেলোয়াড় কিভাবে পার্থক্য গড়ে দিতে জানেন। 

তিনি হয়তো গোল করেননি, কিন্তু ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করেছেন। দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন। লাউতারো মার্তিনেসের জয়সূচক গোলেও ছিল মেসির নিখুঁত অবদান। একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমি মনে করি, এই ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয় এসেছে তিনটি কারণে। প্রথমত, তাদের মানসিক শক্তি। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পিছিয়ে পড়েও তারা নিজেদের ওপর বিশ্বাস হারায়নি। 

দ্বিতীয়ত, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ। এনসো, ম্যাক অ্যালিস্টার, ডি পলের মতো খেলোয়াড়রা ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছেন। তৃতীয়ত, মেসির উপস্থিতি। এমন খেলোয়াড় দলে থাকলে সতীর্থদের মধ্যেও আলাদা বিশ্বাস তৈরি হয়। সবাই জানে, একটি মুহূর্ত এলেই মেসি ম্যাচের চেহারা বদলে দিতে পারেন।

ইংল্যান্ডের জন্য এটি হতাশার হার। তারা অনেকটা সময় ভালো খেলেছে, কিন্তু শেষ মুহূর্তের চাপ সামলাতে পারেনি। আর আর্জেন্টিনা আবারও প্রমাণ করেছে যে বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে শুধু ভালো খেলাই যথেষ্ট নয়, দরকার শেষ পর্যন্ত বিশ্বাস ধরে রাখা।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন