ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা ঘিরে সংঘর্ষ ও বিশৃঙ্খলার একদিন পর আবারও যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ শুরু করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সংগঠনটির অভিযোগ, দিল্লি পুলিশ তাদের মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের সমর্থনে তারা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেছে। এর একদিন আগে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জে পি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করে লিখিত দাবি জমা দেয় সিজেপি।
নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়া সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা সাংবাদিকদের বলেন, ওই বৈঠক ছিল ‘সময়ের অপচয়’। তিনি বলেন, পরবর্তীবার সরকারের কোনও মন্ত্রী বা প্রতিনিধি যদি কথা বলতে চান, তাহলে তাদেরই বিক্ষোভস্থলে আসতে হবে।
এদিকে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার দিন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের তিন শিক্ষার্থী অনশন প্রত্যাহার করেন। তবে লাদাখের অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক সাফদারজং হাসপাতালে থেকে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের ‘নির্মম আচরণের’ অভিযোগ তুলে আবারও অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করেছেন।
সেই একই জায়গা দখল করেছে ককরোচ জনতা পার্টি, উত্তপ্ত দিল্লিসেই একই জায়গা দখল করেছে ককরোচ জনতা পার্টি, উত্তপ্ত দিল্লি
ওয়াংচুক বলেন, তিনি আশা করেন, এর আগেই সরকার শিক্ষামন্ত্রীর জবাবদিহি নিশ্চিত করবে। উসকানি সত্ত্বেও তরুণরা যেভাবে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রেখেছেন, তাতে তিনি মুগ্ধ। একই সঙ্গে তিনি সরকার ও পুলিশের প্রতি শিক্ষার্থীদের সংসদের সামনে তাদের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
রাঙ্কা বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের দাবির বিষয়ে কোনও জবাব আসেনি। তিনি বলেন, পরবর্তীবার তারা বিক্ষোভস্থলে না এলে আমরা আর তাদের সঙ্গে কথা বলবো না। তারা যদি আমাদের সময়ের মূল্য না দেয়, আমরাও তাদের সময়ের মূল্য দিই না।
ককরোচ পার্টির পদযাত্রায় পুলিশের কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জককরোচ পার্টির পদযাত্রায় পুলিশের কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ
গত সোমবার (২০ জুলাই) বিকালে রাঙ্কা ও সিজেপির আরেক মুখপাত্র সৌরভ দাস নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করেন। তারা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সঙ্গে দলের দাবিগুলো নিয়ে আলোচনার জন্য সময় চান। তাদের দাবির মধ্যে ছিল- ওয়াংচুককে অবিলম্বে হাসপাতাল থেকে মুক্তি, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং আত্মহত্যা করা নিট পরীক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা।
সূত্র: উইয়ন নিউজ






