রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে করা মামলার আবেদন আমলে না নিয়ে খারিজের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা বাদী তামান্না চৌধুরী প্রিয়াঙ্কার জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে আদালত মামলা খারিজের আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আবু শাহীন খারিজের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলায় ২৭ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাতনামা ৩-৫ হাজার জনকে আসামি করা হয়। মামলায় উল্লিখিত অন্য আসামিরা হলেন সাবেক পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ড. রেজওয়ানা হাসান, সাবেক প্রেসসচিব শফিকুল আলম, সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাবেক সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সারোয়ার ফারুকী, সাবেক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলম, শিক্ষার্থী সমন্বয়ক আক্তার হোসেন, সংসদ সদস্য মো. হাসনাত আব্দুল্লাহ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, সারজিস আলম, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, ইউটিউবার পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসাইন, কনক সারোয়ার, কর্নেল (অব.) নুরনবী, তাহরিমা জান্নাত সুরভী, বুলডোজার জোগানদাতা মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদ।
বাদীপক্ষ দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩৭৯, ৩৮০, ৩৯৫, ৪২৭, ৪৩৫, ৪৩৮, ৪৪৮, ৪২০, ৫০৬ ও ৫০৭ ধারাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩/৪ ধারা এবং সন্ত্রাস বিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানান।
এআর






