অসদাচরণ ও রাজধানীর পীর ইয়ামেনী হোটেলে প্রায় ১২ লাখ টাকা ভাড়া বাকি রাখার অভিযোগের প্রমাণ না মেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব এসএম শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
আজ শনিবার এসএম শাহরিয়ারকে দেওয়া এক চিঠিতে এই তথ্য জানিয়েছে দলটি।
সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রত্যাহার করে দেওয়া চিঠিতে সই করেছেন দলটির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা। এই আদেশ আজ থেকেই কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ রয়েছে এতে।
এতে বলা হয়েছে, আপনার বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পীর ইয়ামেনী হোটেলের ভাড়া বাকি রাখার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ৩ জুলাই কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা কমিটির পক্ষ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত আপনার সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিল। এ বিষয়ে আপনার লিখিত জবাব এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগ ও প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে, হোটেলের ভাড়া সংক্রান্ত অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
চিঠিতে আরও বলা হয়, এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশক্রমে এনসিপি আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেমে আপনার প্রতি জারিকৃত কারণ দর্শানোর নোটিশ এবং এর মাধ্যমে প্রদত্ত সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশনা প্রত্যাহার করা হলো।
উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসের শুরুতে হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের হিসাব বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ কাজল এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে লিখিত অভিযোগে জানান, দলটির কয়েকজন নেতা দীর্ঘ আট মাস ধরে দুটি রুম বুক করে অবস্থান করেন। এই দীর্ঘ সময়ে তারা হোটেলের মোট ১১ লাখ ৮৩ হাজার ২০০ টাকা বিল বকেয়া রাখেন এবং একপর্যায়ে টাকা পরিশোধ না করেই হোটেল থেকে চলে যান। এর নেতৃত্বে ছিলেন এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব প্রকৌশলী এস এম শাহরিয়ার এবং তার সাথে ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক সাদেক মির্জা, মিরাসাত হোসেন হিমেল, শাখাওয়াত হোসেন ও তাওসীপসহ বেশ কয়েকজন নেতা।






