সম্প্রতি ইবিস্থ কুষ্টিয়া জেলা ছাত্র কল্যাণের কতিপয় ছেলে শিক্ষার্থী বোরকা ও হিজাব পরিধান করে নাচ-গানের মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক ও কটুক্তিমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। সংগঠনটি মনে করেন— এর মাধ্যমে তারা পর্দানশীন নারী সমাজ ও তাদের ন্যায্য অধিকারকে চরমভাবে অসম্মান করেছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সংগঠনটির প্রচার সম্পাদক জুনায়েদ আহমাদ স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদলিপির মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানানো হয়।
প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করেন, ইসলামে পর্দা একটি ফরজ বিধান। পর্দা নারীর অধিকার এবং নারীর মর্যাদার প্রতীক। ৯৪% মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি প্রতিষ্ঠানে বোরকা ও হিজাব নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য আচরণ আমাদেরকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। সম্প্রতি কুষ্টিয়া জেলা কল্যাণ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কতিপয় ছেলে শিক্ষার্থী বোরকা ও হিজাব পরিধান করে নাচ-গানের মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক ও কটুক্তিমূলক আচরণ প্রদর্শন করেছে। এর মাধ্যমে তারা পর্দানশীন নারী সমাজ ও তাদের ন্যায্য অধিকারকে চরমভাবে অসম্মান করেছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের অনতিবিলম্বে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনার জোর দাবি জানাচ্ছি।
সংগঠনটি আরও উল্লেখ করেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যেন তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে যথাযথ ও দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও অশোভন আচরণ ভবিষ্যতে যেন আর না ঘটে, সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি। আমরা আশা করি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে এবং ক্যাম্পাসে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ বজায় রাখতে উদ্যোগী হবে।
উল্লেখ্য, গতকাল কুষ্টিয়া জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত চড়ুইভাতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বোরকার পরিধান করে নাচ-গানের মকারি ভিডিও ভাইরাল হয়। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
বার্তা বাজার/এমএমএইচ





