জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৭৩ অনুযায়ী ছাত্রত্ব থাকার শর্ত পূরণ না করায় সিনেটে যেতে পারবেন না জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৭৩এর ১৯(২) ধারায় বলা হয়েছে, ‘ছাত্র প্রতিনিধিরা যদি ছাত্র না থাকেন তবে তাদের সিনেট সদস্য পদ বাতিল হয়ে যাবে।’
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলামের ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে। তিনি ইতোমধ্যেই আবাসিক হলের সিট ছেড়ে দিয়েছেন। অন্যদিকে, যথাসময়ে উত্তীর্ণ হতে না পারায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড্রপ-আউট (ঝরে পড়েছেন) হয়েছেন ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু। তবে এখনও আবাসিক হল ছাড়েননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম বলেন, আমরা ছাত্রত্ব থাকাবস্থায় সিনেট সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলাম। সেভাবে আমরা সিনেটের চিঠিও পেয়েছি। এর মধ্যে আমাদের ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে। এখন যেহেতু জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, সেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কিংবা জাকসুর সভাপতি কিভাবে ডিল করেন সেটা দেখার প্রয়োজন আছে। সার্বিকভাবে যদি এটি নিয়মের বাইরে যায় সেক্ষেত্রে অবশ্যই নিয়মানুযায়ী কাজ করব।
এ বিষয়ে জানতে জাকসু ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, জাকসুর গঠনতন্ত্রের কোথাও নেই কারো ছাত্রত্ব শেষ হলে সে জাকসুর পদে থাকতে পারবে না। তবে, বিশ্ববিদ্যালয় আইনে ছাত্রত্বের শর্ত রয়েছে। জাকসুর গঠনতন্ত্রের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় আইন সাংঘর্ষিক। আমাদের আইন মানতে হবে। এ ক্ষেত্রে মাননীয় উপাচার্য বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে পারবেন। আমাদের পক্ষ থেকে নিয়ম ভেঙ্গে কিছু করার ইচ্ছে নেই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, এ বিষয়ে পরামর্শের জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পরামর্শ চেয়েছি। পরামর্শ পেলে আমরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।
বার্তা বাজার/এস এইচ






