ঢাকা   শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

আ.লীগের লোকেরা বলে গুলিতে মরেনি, ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলুন: ট্রাইব্যুনালে গুলিবিদ্ধ রুহুল আমিন

Authorনিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম

আ.লীগের লোকেরা বলে গুলিতে মরেনি, ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলুন: ট্রাইব্যুনালে গুলিবিদ্ধ রুহুল আমিন

জুলাই বিপ্লবে রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চারজনের বিরুদ্ধে ষষ্ঠ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ মো. রুহুল আমিন।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি।

জবানবন্দিতে রুহুল আমিন বলেন, আমার বর্তমান বয়স ৫৫ বছর। আমি কেয়ারটেকারের চাকরি করি। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দুপুর আনুমানিক দুপুর আড়াইটা থেকে ৩টার দিকে রামপুরা থানার পাশে মেরাদিয়া কাঁচা বাজারে ছাত্র আন্দোলন দেখতে যাই।

সেখানে গিয়ে দেখি বিজিবি, পুলিশ ও আওয়ামী লীগের লোকজন ছাত্রদের ওপর গুলি করছে। আরো দেখতে পাই যে, গুলিবিদ্ধ হয়ে কিছু লোক মারা গেছে, কিছু লোক আহত হয়ে পড়ে আছে। সবাই রক্তাক্ত ছিলো। আমি ভয়ে পিছনে বাসার দিকে রওনা দেই।

তখন একটি গুলি আমার কোমরের নিচে দিয়ে ঢুকে সামনে দিয়ে বের হয়ে যায়। (সাক্ষী তার প্যান্ট খুলে গুলিবিদ্ধ স্থানটি দেখান)। গুলিবিদ্ধ হয়ে আমি রাস্তায় পড়ে গেলে কিছুলোক আমাকে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

জবানবন্দিতে রুহুল আমিন আরো বলেন, ১৯ জুলাই আমার চিকিৎসা হয়। ২০ জুলাই রাতে আমাকে হাসপাতাল থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়। কারণ ওই দিন আওয়ামী লীগের লোকজন হাসপাতালের ডাক্তারদের হুমকি দিয়েছিলো যে, এদেরকে গুলি করা হয়েছে মরেনি, এদেরকে ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলুন। হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা সংক্রান্ত কোন কাগজপত্র আমাকে দেওয়া হয়নি।

আমি বাসায় ফিরে আসার পর আওয়ামী লীগের লোকজন আমার বাসায় আসে এবং বলে তুমি গুলি খেয়েছ, এই এলাকায় থাকতে পারবে না। তবে ওই এলাকার নির্দলীয় একজন আমাকে ভরসা দেন। পরবর্তীতে আমি নিজ খরচে ফরায়েজি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করি।

পরবর্তীতে ফেসবুক এবং ইউটিউবের মাধ্যমে জানতে পারি যে, বিজিবির রেদোয়ান ও রাফাত এবং পুলিশের রাশেদ ও ওসি মশিউর গুলি করেছে। আমার কোনো কাজ করার শারীরিক সক্ষমতা নেই। আমার দুজন মেয়ে রয়েছে, কোনো ছেলে নেই। (সাক্ষী কান্না জড়িত কণ্ঠে এসব কথা বলেন)। আমি আসামিদের বিচার চাই।

এ মামলার চার আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত বিন আলম মুনকে আজ সকালে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। অপর দুই আসামি পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান পলাতক রয়েছেন।

 

বার্তা বাজার/এমএমএইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন