ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

রামিসা হত্যাকাণ্ড মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু

Authorনিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম

রামিসা হত্যাকাণ্ড মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার নামে আট বছর বয়সী স্কুল ছাত্রীকে হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বেলা পৌনে ১২টায় ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়।

এ প্রতিবেদন লেখার সময় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় যুক্তিতর্ক শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে আসামি স্বপ্না খাতুন আদালতের হাজতখানায় অসুস্থ হয়ে পড়ায় নির্দিষ্ট সময়ে শুনানি শুরু হয়নি।

যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের তারিখ ঘোষণা করতে পারেন ট্রাইব্যুনাল।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই রায় দেয়া হবে এই মামলার।

এদিকে বুধবার (৩ জুন) আলোচিত শিশু রামিসা হত্যা মামলার শুনানিতে আসামীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য ছিলো। সকালে সোহেল ও স্বপ্নাকে কারাগার থেকে আদালত প্রাঙ্গণে এনে রাখা হয় আদালতের হাজতখানায়। বেলা পৌনে ১১টার দিকে সোহেলকে, আর বেলা ১১টার দিকে স্বপ্নাকে হাজতখানা থেকে আদালতে তোলা হয়। ১১টা ১০ মিনিটে বিচারক এজলাসে আসার পর বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

মামলার সমস্ত অভিযোগ ও সাক্ষীদের জবানবন্দি দুই আসামির সামনে পড়ে শোনান বিচারক। তারপর আসামিদের বক্তব্য শুনতে চান। এ সময় কাঠগড়ায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা নির্বিকার দাঁড়িয়ে থাকলেও, কান্নায় ভেঙে পড়েন তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম।

শুনানির শুরুতে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন সোহেল রানা। ঘটনার দায় চাপান ডলার নামের আরেক ব্যক্তির ওপর।

কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সোহেল বলেন, আমি নির্দোষ স্যার। আমার সাথে যে ছিল ডলার, তারে আপনারা ধরেন। আমি দোষ করি নাই তা না, আমিও দোষ করেছি, ডলারও দোষ করেছে। আমারে শাস্তি দিলে ডলারেও একই শাস্তি দিতে হবে।

পরে অবশ্য নিজের অপরাধ স্বীকার করে সোহেল বলেন, ‌‘আমারে মাফ করে দেন, আমার একটা ছোটো ছাওয়াল আছে।’

স্ত্রী স্বপ্নার বিষয়ে এ সময় আসামি সোহেল বলেন, ‘আমার বউটা একদম নির্দোষ স্যার।’ এসময় বিচারক তাকে থামিয়ে দেন এবং স্বপ্নার কাছে জানতে চান তার কোনো বক্তব্য আছে কিনা। স্বপ্না আদালতকে বলেন, ‘আমি কিছু করি নাই, আমি নির্দোষ।’

স্বপ্না বিচারকের কাছে নিজের মুক্তি কামনা করেন।

তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের মতে, আসামিদের এই ধরনের বক্তব্য বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত ও বিলম্বিত করার অপকৌশল।

এদিকে রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মুসা কলিমুল্ল্যাহ জানান, নিজেদের নির্দোষ প্রমাণে নতুন করে কোনো সাফাই সাক্ষী হাজির করবেন না তারা।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন