ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

অপারেটরদের জয়ের হাসি, গ্রাহকদের ভাগ্য বদলাবে?

Authorস্টাফ রিপোর্টার

আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৫৬ পিএম

অপারেটরদের জয়ের হাসি, গ্রাহকদের ভাগ্য বদলাবে?

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এখন থেকে মোবাইল অপারেটরদের ইজারা নেওয়া অপটিক্যাল ফাইবারে নেটওয়ার্ক পর্যবেক্ষণের ডিভাইস ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত মোবাইল ইন্টারনেট সেবার মানোন্নয়ন ও খরচ কমানোর ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

আগে মোবাইল অপারেটররা নিজেরা এ ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করতে পারলেও, ২০২১ সালে বিটিআরসি তা নিষিদ্ধ করে। সে সময় ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার। নিষেধাজ্ঞার ফলে কেবলমাত্র নেশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন) অপারেটররাই এই প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমতি পেত। এনটিটিএন অপারেটররা দেশের বিভিন্ন স্থানে অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করে এবং মোবাইল কোম্পানিগুলো সেই ফাইবার ভাড়া নিয়ে ব্যান্ডউইডথ সঞ্চালন করত।

জানা গেছে, এনটিটিএন অপারেটররা ফাইবারে ডিডব্লিউডিএম প্রযুক্তি সংযুক্ত করে মোবাইল অপারেটরদের কাছ থেকে সেবার জন্য অর্থ আদায় করত। এই ব্যবসায়িক সুবিধা বজায় রাখতে বিটিআরসি মূলত মোবাইল অপারেটরদের ওপর সরাসরি যন্ত্র ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল।

ডিডব্লিউডিএম বা ডেন্স ওয়েভলেংথ ডিভিশন মাল্টিপ্লেক্সিং এমন একটি প্রযুক্তি, যা অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্ক সংযোগকে আরও কার্যকর করে তোলে। এটি উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিতকরণ, নেটওয়ার্ক স্থিতিশীল রাখা এবং দ্রুত ত্রুটি শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

২০২1 সালের পর এ প্রযুক্তি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা থাকলেও, তার আগ পর্যন্ত (২০১২-২০২১) বিটিআরসির অনুমতিতে মোবাইল অপারেটররাই সরাসরি এই যন্ত্র ব্যবহার করত।

বিটিআরসি ১০ এপ্রিল এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এখন থেকে মোবাইল অপারেটররা এনটিটিএন-এর ভাড়া নেওয়া ফাইবারে নিজেরা ডিডব্লিউডিএম বসাতে পারবে।

প্রত্যাশিত সুফল কী?
মোবাইল অপারেটররা দীর্ঘদিন ধরে এই যন্ত্র ব্যবহারের অনুমতির দাবি জানিয়ে আসছিল। তাদের বক্তব্য ছিল, এতে খরচ কমবে এবং ইন্টারনেট সেবার মান বাড়বে—যার সুবিধা শেষমেশ গ্রাহকের কাছেই পৌঁছাবে।

রবি আজিয়াটার করপোরেট ও রেগুলেটরি বিভাগের প্রধান সাহেদ আলম বলেন, “খরচ কমার বিষয়টি খুব বড় নয়, তবে দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল পাওয়া যাবে। ব্যয় হ্রাস পেলে গ্রাহকরাও উপকৃত হবেন।”

বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ফেব্রুয়ারির শেষে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ৬০ লাখ। এত বিশাল গ্রাহকভিত্তির জন্য সেবার মানোন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।

বাংলালিংকের করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান তাইমুর রহমান বলেন, “আমরা নতুন করে ডিডব্লিউডিএম ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছি। এখন আমাদের দেখতে হবে কিভাবে গ্রাহকদের বাড়তি সুবিধা দেওয়া যায়।”

রবির সাহেদ আলম আরও বলেন, “সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গেই এর প্রভাব পুরোপুরি বোঝা যাবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের মোবাইল ডেটার মূল্য বৈশ্বিকভাবে অন্যতম সস্তা। এটি আরও সহনীয় করতে হলে অন্য সংস্কার উদ্যোগগুলোও বাস্তবায়ন দরকার।”

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন