যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা উপত্যকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব না মানলে হামাসকে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি রবিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চূড়ান্ত সময়সীমা ঘোষণা করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি হামাস চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে, তবে এমন সামরিক অনুপ্রবেশ শুরু হবে যা পৃথিবী আগে কখনো দেখেনি।
আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ’-এ দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি যে কোনো মূল্যে প্রতিষ্ঠা করা হবে, সহিংসতা আর চলতে দেওয়া যাবে না। জিম্মিদের মুক্তি দিতে হবে এবং রক্তপাত বন্ধ করতে হবে।”
ট্রাম্প দাবি করেন, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ এই শান্তি পরিকল্পনায় স্বাক্ষর করেছে। তাই হামাসের সামনে এটাই শেষ সুযোগ। তিনি আরও বলেন, “হামাসের লুকিয়ে থাকার জায়গাগুলো সবারই জানা। আমাদের সামরিক বাহিনী কেবল নির্দেশের অপেক্ষায়।”
এ সময় গাজার সাধারণ জনগণের প্রতিও বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি তাঁদেরকে সম্ভাব্য হামলা এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
অন্যদিকে, হামাস জানিয়েছে তারা তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেবে না। আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংগঠনটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ নাজ্জাল বলেন, “আমরা জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তাবের বিষয়ে শিগগিরই অবস্থান জানাবো।”
এরই মধ্যে কাতারসহ কয়েকটি আরব মিত্র দেশও হামাসকে চুক্তি গ্রহণে রাজি করাতে চাপ দিচ্ছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ২০ দফা পরিকল্পনা প্রকাশ করেছিলেন। এরপর থেকেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলছে তীব্র আলোচনা ও কূটনৈতিক চাপ।





