ঢাকা   সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

অস্ত্র সমর্পণে রাজি ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:১৪ এএম

অস্ত্র সমর্পণে রাজি ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাস গাজা উপত্যকার সংঘর্ষ বন্ধ করতে দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি করতে চিহ্নিত কিছু পদক্ষেপ শুরু করেছে—এমন তথ্য উঠে এসেছে বিভিন্ন খবরের সূত্রে। গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ দফার একটি শান্তি প্রস্তাব তুলে ধরেন, যেখানে হামাসকে অস্ত্র হস্তান্তরের শর্তও রাখা হয়েছিল।

সৌদি আরবভিত্তিক গণমাধ্যম আল-আরাবিয়া রবিবার (৫ অক্টোবর) এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানায়, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণে ফিলিস্তিনি ও মিসরীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অস্ত্রসমর্পণে সম্মত হয়েছে হামাস। তবে অন্যান্য কোনো স্বাধীন সূত্র এখন পর্যন্ত এই খবর নিশ্চিত করেনি।

আল-আরাবিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাসের একটি সূত্র জানিয়েছে—হামাসের যোদ্ধারা গাজার বিভিন্ন স্থানে তিন লাখের বেশি নয়, বরং ইসরায়েলি বন্দিদের মরদেহ সংগ্রহ শুরু করেছেন; কাজটি সম্পূর্ণ করার জন্য ইসরায়েলের বিমান হামলা বন্ধের দাবি তুলেছে তারা। এসব মরদেহ ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করতে সময় লাগবে এবং এই ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র কিছু নমনীয়তার সংকেত দিয়েছে বলে প্রতিবেদনটি জানিয়েছে। আল-আরাবিয়ার খবরে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র হামাসকে আশ্বস্ত করেছে যে ইসরায়েল পুনরায় যুদ্ধ শুরু করবে না এবং তাদের সেনাসমূহ গাজা ছেড়ে যাবে।

এর আগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে—ইজ আল-দিন আল-হাদাদ বলেছেন, তারা রকেটের মতো আক্রমণাত্মক অস্ত্র সমর্পণ করতে রাজি আছেন। কিন্তু রাইফেলের মতো রক্ষণাত্মক অস্ত্র নিজেদের কাছে রেখে দিতে চান হামাস যোদ্ধারা।

সংলাপের শর্তগুলোর মধ্যে হামাস যে দাবি তুলেছে তার মূল অঙ্গ হল পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিসহ—গত জানুয়ারির সময় ইসরায়েলি সেনারা যে অবস্থানেই ছিল, সেদিকেই ফিরে যেতে হবে; যার অর্থ গাজার জনবহুল এলাকাগুলো থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সরে যেতে বাধ্য হবে। আলোচনার সময় ইসরায়েলকে প্রতিদিন গাজায় অন্তত ১০ ঘণ্টা বিমান ও ড্রোন চালানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি যেদিন বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে, সেই দিন এসব কর্মসুচি ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী রাখতে হবে—এগুলো সবাই মেনে চলার শর্ত রাখা হবে যতদিন আলোচনায় অগ্রগতি চলছে।

এক সূত্র বলেছে, আলোচনাগুলো চলাকালীন এসব শর্ত বলবৎ থাকবে এবং ধারণা করা হচ্ছে আলোচনাগুলো কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এএফপির উদ্ধৃত এক ফিলিস্তিনি সূত্র জানিয়েছে, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনার সময় হামাস জিম্মিদের খুঁজে বের করার জন্য এসব শর্ত ইসরায়েলকে মানতে বলেছে—তাতে তাদের বিমান ও গোয়েন্দা ড্রোন উড়ানো বন্ধ রাখতে হবে এবং গাজা সিটি থেকে সরে যেতে হবে। হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যদি ইসরায়েল হামলা ও উড়োজাহাজ উড়ানো বন্ধ রাখে তাহলে হামাসও পাল্টা হামলা বন্ধ রাখবে।

গতবারের যুদ্ধবিরতিতে দখলদার ইসরায়েল ফাতাহ ও হামাসের প্রায় ৫০ জন শীর্ষ নেতাকে মুক্তি দেয়ার প্রস্তাবে সম্মত হয়নি। সেখানে নাম আছে মারওয়ান বারঘোতি, আহমেদ সাদাত, ইব্রাহিম হামেদ, হাসান সালেমেহ এবং আব্বাস সায়েদ—এমন একাধিক নেতার। হামাস বলেছে এবারের যুদ্ধবিরতি এই নেতাদের মুক্তি দিতে হবে। কারণ তাদের মুক্ত করার জন্য হামাসের কাছে এটিই শেষ সুযোগ।

 

বার্তা বাজার/এস এইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন