ঢাকা   সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ভারতের অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের মানচিত্রে সংযুক্ত করতে চায় চীন

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:০৭ এএম

ভারতের অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের মানচিত্রে সংযুক্ত করতে চায় চীন

চীনের দীর্ঘমেয়াদি ‘জাতীয় স্বার্থের’ পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের মানচিত্রে সংযুক্ত করতে চায় বেইজিং। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

মার্কিন কংগ্রেসে জমা দেওয়া ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের ঘোষিত ‘কোর ইন্টারেস্ট’ হিসেবে বিবেচনা করছে চীন।

এই তালিকায় অরুণাচল প্রদেশের পাশাপাশি তাইওয়ান এবং দক্ষিণ ও পূর্ব চীন সাগরের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বিরোধপূর্ণ অঞ্চলগুলোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ইস্যু চীনের দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু। বেইজিংয়ের নেতৃত্ব ২০৪৯ সালের মধ্যে ‘চীনা জাতির মহান পুনরুজ্জীবন’ অর্জনের লক্ষ্যে তাদের কোর ইন্টারেস্টের পরিধি সম্প্রসারণ করেছে।

পেন্টাগন বলছে, চীনা কর্মকর্তারা বিশেষ করে তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে বিতর্কিত অঞ্চলগুলোর একীকরণকে জাতীয় পুনরুজ্জীবনের একটি ‘স্বাভাবিক প্রয়োজন’ হিসেবে তুলে ধরছেন। এই লক্ষ্য পূরণে চীন একটি ‘বিশ্বমানের’ সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে চায়।

ভারত-চীন সম্পর্ক প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে ভারত ও চীন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) বরাবর অবশিষ্ট সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে সেনা প্রত্যাহারে একমত হয়। এই ঘোষণার মাত্র দুই দিন পরই ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে বৈঠক হয়।

ওই বৈঠকের পর থেকে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, সরাসরি বিমান চলাচল, ভিসা সুবিধা এবং শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিক বিনিময়সহ বিভিন্ন বিষয়ে মাসিক উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে।

পেন্টাগনের মতে, এলএসি উত্তেজনা কমিয়ে চীন মূলত ভারত-চীন সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হওয়া ঠেকাতে চাইছে। তবে পারস্পরিক অবিশ্বাসের কারণে নয়াদিল্লি এই সম্পর্কে সতর্ক অবস্থান বজায় রাখবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি চীন ও পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান সামরিক ও কৌশলগত সহযোগিতার দিকেও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। চীন-পাকিস্তান যৌথভাবে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে এবং পাকিস্তানই বর্তমানে চীনের তৈরি জে-১০ বহুমুখী যুদ্ধবিমানের একমাত্র ক্রেতা। এছাড়া চীন পাকিস্তানকে সশস্ত্র ড্রোন সরবরাহ করেছে এবং নৌবাহিনীর ক্ষেত্রেও বেইজিং ইসলামাবাদের প্রধান সরবরাহকারী। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

 

বার্তাবাজার/এমএইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন