যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের উত্তেজনা। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আজ শনিবার দেশজুড়ে একযোগে বিক্ষোভে নামছেন সাধারণ মানুষ। আয়োজকদের দাবি, ৪০০টিরও বেশি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে।
বিক্ষোভের পেছনে রয়েছে ‘৫০৫০১’ নামে একটি নাগরিক আন্দোলন সংগঠন, যারা নিজেদের ‘গণতন্ত্রপন্থী’ এবং ‘অহিংস’ কর্মসূচির প্রতি প্রতিশ্রুতিশীল বলে দাবি করছে।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো বড় আকারে রাস্তায় নামছেন মার্কিন নাগরিকেরা। এর আগে প্রেসিডেন্টস ডে উপলক্ষে ১৭ ফেব্রুয়ারি আয়োজিত বিক্ষোভেও ব্যাপক মানুষের উপস্থিতি দেখা গিয়েছিল।
৫০৫০১-এর মুখপাত্র হেথার ডান জানিয়েছেন, আজকের কর্মসূচিতে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ মানুষের অংশগ্রহণের আশা করা হচ্ছে—যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় সাড়ে তিন শতাংশ। এ সংখ্যাটি যদি বাস্তবায়িত হয়, তবে এটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ নাগরিক বিক্ষোভ।
ট্রাম্প প্রশাসনের ‘কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা’ ঠেকানোই এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন হেথার ডান। তিনি বলেন, “এই কর্মসূচিতে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পরিচয় নয়—গুরুত্ব পাচ্ছে নাগরিক সচেতনতা। ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান কিংবা নির্দল—সবারই জায়গা আছে এই বিক্ষোভে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, আমেরিকার গণতন্ত্র রক্ষায় এখনই সময়।”
এর আগে ৫ এপ্রিল আয়োজিত ‘হ্যান্ডস অফ’ আন্দোলনে ৫০টি অঙ্গরাজ্যে এক হাজারের বেশি সমাবেশ হয়েছিল। ট্রাম্প ছাড়াও সেদিন ইলন মাস্কের বিরুদ্ধেও আওয়াজ তুলেছিলেন আন্দোলনকারীরা।
আজকের কর্মসূচিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবে আয়োজকেরা বলছেন, তাঁদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ এবং গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে থেকেই পরিবর্তনের বার্তা দেওয়ার লক্ষ্যে গঠিত।





