ঢাকা   সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

‘চিকেনস নেকে’ মাটির নিচে রেললাইন বানানোর পরিকল্পনা করছে ভারত

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:২৮ এএম

‘চিকেনস নেকে’ মাটির নিচে রেললাইন বানানোর পরিকল্পনা করছে ভারত

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের একমাত্র স্থল সংযোগ তথা অত্যন্ত কৌশলগত ‘চিকেনস নেক’ করিডর নিরাপদ রাখতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি। সম্ভাব্য হুমকি ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে এই সংকীর্ণ পথে প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকায় রেললাইন মাটির নিচে নেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাজেটে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতের রেলমন্ত্রী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের সংযোগ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ‘চিকেনস নেক’ করিডর সুরক্ষিত করতে রেললাইন মাটির নিচে নেয়ার পরিকল্পনা করছে ভারত। পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের মাঝখানে অবস্থিত প্রায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই করিডরে ভূগর্ভস্থ রেলপথ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ভারতের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, বাজেটে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অংশের রেল যোগাযোগ চারটি লাইনে উন্নীত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এটি দীর্ঘদিনের একটি চাহিদা পূরণ করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক চেতন শ্রীবাস্তব জানান, পশ্চিমবঙ্গের ভেতরে তিন মাইল হাট থেকে রাঙাপানি স্টেশন পর্যন্ত অংশে রেললাইন মাটির নিচ দিয়ে যাবে।

ভারতীয় এই সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রেললাইন ভূগর্ভস্থ করার সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে প্রকাশ্য ও গোপন নিরাপত্তা হুমকি। সবচেয়ে সরু জায়গায় মাত্র ২৫ কিলোমিটার চওড়া এই ‘চিকেনস নেক’ করিডরকে ভারতের নিরাপত্তার দুর্বলতম জায়গা হিসেবে দেখা হয়।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার দাবি, বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর করিডরটি নিয়ে ভারতের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। কিছু গোষ্ঠী উত্তর-পূর্বাঞ্চল বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দিয়ে ‘চিকেনস নেক চেপে ধরার’ কথা বলেছে। এমনকি অঞ্চলটিকে তথাকথিত ‘বৃহত্তর বাংলাদেশ’-এর অংশ হিসেবে কল্পনা করার বক্তব্যও সামনে এসেছে। একই সঙ্গে ঢাকার সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগকেও ভারতের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগেও ২০১৭ সালের ডোকলাম সংকটের সময় ভারতের সামরিক পরিকল্পনাকারীরা শিলিগুড়ি করিডরের দুর্বলতার বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন। এই করিডরে কোনও ধরনের বিঘ্ন ঘটলে উত্তর-পূর্বাঞ্চল কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে, বন্ধ হয়ে যেতে পারে রসদ সরবরাহ এবং ব্যাহত হতে পারে সেনা চলাচল।

ভারতের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘সংকটের সময়েও যাতে যোগাযোগ বজায় থাকে, সে লক্ষ্যেই রেললাইন মাটির নিচে নেয়ার কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন