মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র রূপ নিচ্ছে। মঙ্গলবার (১৩ মে) এক টেলিভিশন ভাষণে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) শীর্ষ কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি জানান, প্রয়োজনে ইরান একসাথে ৬০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে পারে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোর দিকে।
সালামি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান আগের তুলনায় অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী এবং কৌশলগতভাবে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। তার ভাষায়, "আমাদের শত্রুরা এখনো আমাদের প্রতিক্রিয়ার গভীরতা অনুধাবন করতে পারছে না। এমনকি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুও আজারবাইজান সফর করতে ভয় পাচ্ছেন—এটাই ইঙ্গিত দেয় তাদের শঙ্কা কোথায় পৌঁছেছে।"
তিনি আরও যোগ করেন, আধুনিক যুদ্ধ কেবল সামরিক পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়; এটি এখন তথ্য, সংস্কৃতি এবং আদর্শের লড়াইয়েও রূপ নিয়েছে। গাজায় চলমান প্রতিরোধকে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "যখন জাতির মধ্যে অটুট মনোবল থাকে, তখন শক্তিশালী সামরিক শক্তিকেও প্রতিহত করা সম্ভব।"
ইয়েমেন প্রসঙ্গে সালামি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন সরাসরি সংঘর্ষ এড়িয়ে চলছে এবং একতরফা যুদ্ধবিরতির কৌশল নিচ্ছে, যা তাদের দুর্বল অবস্থানেরই প্রতিফলন। তিনি বলেন, "যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরীগুলো সরাসরি সংঘাতে না গিয়ে পিছু হটার কৌশল নিচ্ছে—এটি তাদের কৌশলগত ভীতির প্রকাশ।"
শেষে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার ভাষ্য মতে, “আমরা লক্ষ্য করছি, তাদের বিমানবাহিনীর সক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে এবং দুর্ঘটনার হার বাড়ছে—যা সামরিক দুর্বলতার প্রকট চিত্র তুলে ধরছে।”
সূত্র: ইয়েনি শাফাক





