ঢাকা   সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

মারা গেছেন খামেনির স্ত্রী মনসুরেহ

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৯ পিএম

মারা গেছেন খামেনির স্ত্রী মনসুরেহ

মারা গেছেন খামেনির স্ত্রী মনসুরেহ

মারা গেছেন খামেনির স্ত্রী মনসুরেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্ত্রী মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ মারা গেছেন। গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় আহত হয়েছিলেন তিনি। সোমবার (২ মার্চ) তেহরানে চিকিৎসাধীন অবস্থান তিনি মারা গেছেন বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি নিশ্চিত করেছে।

প্রেস টিভি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় আহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্ত্রী মারা গেছেন। গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও নিহত হন।

• খামেনির পরিবার সম্পর্কে যা জানা যায়

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছয় সন্তান। তারা হলেন চার ছেলে মোস্তফা, মোজতবা, মাসুদ ও মেয়সাম এবং দুই মেয়ে বুশরা ও হোদা।

বিশ্বের অনেক রাজনৈতিক পরিবারের মতো খামেনির সন্তানরা জনসমক্ষে খুব একটা আসতেন না বা দৃশ্যমান কোনো রাজনৈতিক ভূমিকায় ছিলেন না। তবে তাদের মধ্যে মোজতবা খামেনি রাজনৈতিক আলোচনায় সবচেয়ে বেশি পরিচিত ছিলেন।

বিশ্লেষকরা প্রায়ই তাকে ভাইবোনদের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী হিসেবে বর্ণনা করতেন। তাকে খামেনির সম্ভাব্য উত্তরসূরি বা নেপথ্যের একজন শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখা হতো।

দেশটির বিশিষ্ট রাজনীতিক গোলাম-আলী হাদ্দাদ-আদেলের মেয়েকে বিয়ে করে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান মজবুত করেন মোজতবা। বছরের পর বছর ধরে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এবং জ্যেষ্ঠ আলেমদের নেটওয়ার্কের সঙ্গে তিনি ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখে চলেছেন। যৌবনে তিনি ইরান-ইরাক যুদ্ধেও অংশ নিয়েছিলেন বলে তথ্য পাওয়া যায়।

আরেক ছেলে মাসুদ খামেনির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক রাজনৈতিক পরিবারে বিয়ে করলেও তিনি নিজেকে সবসময় আড়ালে রেখেছেন। অন্য সন্তানরাও মূলত জনসম্মুখ থেকে দূরেই থাকতেন। খামেনির তিন ভাই (মোহাম্মদ, হাদি ও আরেকজন) এবং চার বোন ছিলেন। তাদের মধ্যে এক বোন বদরি আশির দশকে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় নির্বাসনে যান।

ইরানের সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিমান হামলায় খামেনির সঙ্গে তার পরিবারের একাধিক সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন; যাদের মধ্যে এক মেয়ে, এক নাতি, এক পুত্রবধূ এবং এক জামাতা রয়েছেন।

নিহতদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে এক হামলাতেই পরিবারের কয়েক প্রজন্ম নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খামেনির মোট সাতজন নাতি-নাতনি রয়েছেন। তাদের সম্পর্কেও খুব কম তথ্য জানা যায়। 

• খামেনির স্ত্রী কে এই মনসুরেহ?
খামেনির স্ত্রী মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ লোকচক্ষুর আড়ালেই থাকতেন। ১৯৪৭ সালে এক সম্মানিত ব্যবসায়ী পরিবারে তার জন্ম এবং ১৯৬৪ সালে খামেনির সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

তার বাবা মোহাম্মদ ইসমাইল খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের আগে শাহের শাসনামলে খামেনির কারাবরণসহ কয়েক দশকের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তিনি নীরবে স্বামীকে সমর্থন জুগিয়ে গেছেন।

তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি কিংবা রাজনৈতিক পদে ছিলেন না। পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের মতো তার জীবনও ক্যামেরা এবং জনসমাগম থেকে দূরেই অতিবাহিত হয়েছে। সূত্র: প্রেস টিভি।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন