ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

চীনের কাছাকাছি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন জাপানের

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৭ এএম

চীনের কাছাকাছি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন জাপানের

চীনের নিকটবর্তী দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে জাপান। আজ মঙ্গলবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এ তথ্য জানিয়েছেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেইজিংয়ের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক সবচেয়ে নিম্ন পর্যায়ে নেমে আসার প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

ক্ষেপণাস্ত্রগুলো দক্ষিণাঞ্চলীয় কিউশু অঞ্চলের কুমামোতোতে স্থাপন করা হয়েছে। পূর্ব চীন সাগরে চীনের নৌ তৎপরতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে জাপান তার সামরিক সক্ষমতা জোরদার করার চেষ্টা করছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি বলেন, ‘এই প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আমাদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদেরকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করবে এবং একই সঙ্গে আমাদের সেনাদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘জাপানের প্রতিরোধ ও জবাব দেওয়ার সক্ষমতা শক্তিশালী করতে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।’

ভূমি থেকে জাহাজে নিক্ষেপযোগ্য নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার পাল্লা প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার (৬২০ মাইল)। ফলে চীনের মূল ভূখণ্ডের কিছু এলাকা এর আওতায় চলে আসে— যেমন কুমামোতো থেকে সাংহাইয়ের দূরত্ব প্রায় ৯০০ কিলোমিটার।

এছাড়া কোইজুমি বলেন, ‘হাইপার ভেলোসিটি গ্লাইডিং প্রজেক্টাইল’ নামের আরেকটি উন্নত অস্ত্র শিজুওকা অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে, যা দূরবর্তী দ্বীপগুলোকে রক্ষা করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

জাপানের দীর্ঘদিনের নীতি ছিল, তাদের সামরিক বাহিনী শুধুমাত্র আত্মরক্ষার জন্য ব্যবহৃত হবে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সামরিক তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় টোকিও ধীরে ধীরে নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বৃদ্ধি করছে।

২০২২ সালে জাপান পাল্টা আক্রমণ সক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা অনুমোদন করে। গত বছরের এক প্রতিরক্ষা শ্বেতপত্রে বলা হয়, শুধু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করলে, উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এদিকে, চীন তার সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে। দেশটি জাপানের সঙ্গে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ (চীনে দিয়াওইউ নামে পরিচিত) নিয়ে বিরোধে জড়িত রয়েছে।

সম্প্রতি তাইওয়ানকে ঘিরে উত্তেজনাও দুই দেশের সম্পর্কে প্রভাব ফেলেছে।

গত নভেম্বরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ইঙ্গিত দেন, তাইওয়ানের ওপর কোনো হামলা হলে, জাপান সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারে।

চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে এবং প্রয়োজনে এই ভূখন্ডের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগের কথাও বেইজিং অস্বীকার করেনি।

এদিকে সমালোচকদের মতে, ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের ফলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলো সম্ভাব্য শত্রু হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠতে পারে।

চলতি মাসের শুরুতে স্থানীয় গণমাধ্যম জানায় যে জাপানের স্থল বাহিনী স্থানীয় সম্প্রদায়কে কোনো ধরনের সতর্কতা বার্তা না দিয়েই কুমামোটোতে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র আনা হয়।

এর প্রতিবাদে একটি সামরিক ঘাঁটির সামনে ডজনখানেক মানুষ বিক্ষোভ করে।

সূত্র: বিএসএস

 

বার্তা বাজার/এমএমএইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন