ঢাকা   সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ইরানের নতুন কৌশল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবতে’ বাধ্য করছে: আল জাজিরা

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১০:১৮ পিএম

ইরানের নতুন কৌশল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবতে’ বাধ্য করছে: আল জাজিরা

ইসরায়েলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ধরনের প্রতিরোধ কৌশল প্রয়োগ করছে ইরান। আর তেহরানের এই কৌশল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে পরিস্থিতি সম্পর্কে ‘দ্বিতীয়বার ভাবতে’ বাধ্য করছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান বা তার মিত্রদের ওপর হামলা করা হলে যে মূল্য চুকাতে হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দেয়াই তেহরানের লক্ষ্য। খবর আল জাজিরা

কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল্লাহ বান্দার আল এতাইবা বলেছেন, ইসরায়েলের ওপর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এমন একটি পরিকল্পনার অংশ, যার মাধ্যমে তেহরান বোঝাতে চায় যে এই অঞ্চলে হামলা অব্যাহত রাখলে তার মূল্য দিতে হবে।

আল জাজিরাকে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় এটি ইরানের প্রতিরোধমূলক কৌশলের ইঙ্গিত। তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চায় এবং তাদের বিরুদ্ধে যেকোনও ধরনের হামলা বন্ধ করতে চায়।’

তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির এক উপদেষ্টার সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারের পরিপ্রেক্ষিতেই এই পরিকল্পনা সামনে এসেছে। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ভবিষ্যতে ইরানের কৌশলের আওতায় ভারত মহাসাগর, লোহিত সাগর এবং ভূমধ্যসাগরের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

আল এতাইবার মতে, ‘সবকিছুর বিরুদ্ধে এবং সব জায়গায়’ পাল্টা জবাব দেয়ার এই হুমকির উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর আগে দ্বিতীয়বার ভাবতে বাধ্য করা। তিনি বলেন, ‘এটি যথেষ্ট উদ্বেগজনক একটি বিষয়।’

এদিকে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে লন্ডনের কিংস কলেজের আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাবিষয়ক প্রভাষক রব গাইস্ট পিনফোল্ডের সঙ্গেও কথা বলেছে আল জাজিরা।

হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে পিনফোল্ড বলেন, ইরান এমন একটি অবস্থানের দিকে এগোচ্ছে, যাকে পর্যবেক্ষকরা ‘যুদ্ধও নয়, শান্তিও নয়’ (নো ওয়ার, নো পিস) পরিস্থিতি হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে ইরানকে বেশ স্থির অবস্থানে দেখা যাচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য তারা দ্রুত আলোচনার টেবিলে ফিরতে আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে না।’

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা চুক্তি করতে চায় বলে মনে হচ্ছে, যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য অনেক সময় ভিন্ন ইঙ্গিত দেয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পিনফোল্ড বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যে এক ধরনের অসামঞ্জস্য দেখা যায়। একদিকে তিনি যুদ্ধ, ধ্বংসযজ্ঞ ও সভ্যতা ধ্বংসের মতো কঠোর ভাষা ব্যবহার করেন, অন্যদিকে ট্রুথ সোশ্যালে এমন পোস্ট দেন যেন মনে হয় ইরানের সঙ্গে চুক্তি নাগালের মধ্যেই রয়েছে।’

এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়েও মন্তব্য করেন পিনফোল্ড। তিনি বলেন, নেতানিয়াহুকে দেখাতে হবে যে তিনি হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন এবং শুধু ট্রাম্প যা হুকুম করছেন তা-ই পালন করছেন না।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!