নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী তিব্বতের গিরং এলাকায় ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল পর্যবেক্ষণে ড্রোন উড়িয়েছে চীনের বিমানবাহিনী। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে। পরে এ বরাতে বিবিসি খবর প্রকাশ করে।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ পানি ও কাদার স্রোত আঘাত হানার দৃশ্য দেখা গেছে। আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ওই অঞ্চলের সড়ক, যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) জরুরি সাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা সক্রিয় করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পর্যবেক্ষণে আরও আকাশপথে নজরদারি এবং জরুরি বিমানযোগে লোকজন ও সরঞ্জাম পরিবহনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য পরিবহন বিমান, হেলিকপ্টার ও আরও ড্রোন প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে চীনের পক্ষ থেকেও উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা হচ্ছে। সীমান্তের দুই পাশেই নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চলছে।
এদিকে নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর নিখোঁজ পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে ৫৭৯ জনে দাঁড়িয়েছে। নেপাল পুলিশের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজদের মধ্যে ৪৬৬ জন বিদেশি নাগরিক।
নেপাল পুলিশ বলেছে, নিখোঁজ বিদেশি পর্যটকরা ২৮টি দেশের নাগরিক। এছাড়া ১১৩ জন নিখোঁজ পর্যটক নেপালের নাগরিক।
নিখোঁজ বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৫৪ জন রয়েছেন। যুক্তরাজ্যের নিখোঁজ নাগরিকের সংখ্যা ৩৩ জনে অপরিবর্তিত রয়েছে।
সূত্র: বিবিসি






