তিনি বলেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে আগের সরকারের জনকল্যাণমূলক অনেক কাজের ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্ত হয়। তবে দেশের স্বার্থে একটি সরকারের শুরু করা ভালো কাজ পরবর্তী সরকারগুলোরও অব্যাহত রাখা উচিত। দেশের উন্নয়ন ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্প প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কেরানীগঞ্জে প্রায় ২০০ একর জমির ওপর আবাসিক সুবিধাসহ নতুন ক্যাম্পাস নির্মাণের পরিকল্পনার কথা তিনি জানতে পেরেছেন। শিক্ষার্থীদের আবাসনসহ বিভিন্ন দাবির বিষয়েও তিনি অবগত হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের দাবিদাওয়াকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, দাবির নামে অপ্রাসঙ্গিক আন্দোলন করা উচিত নয়। সরকারের আর্থিক সক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা বিবেচনায় যথাসময়ে দাবিগুলো পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, একটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো শিক্ষা। যে জাতির লাইব্রেরি, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ যত বেশি, সে জাতির সমৃদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনাও তত বেশি। বাংলাদেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে শিক্ষা, প্রযুক্তি ও গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
আগামী ৫০ থেকে ১০০ বছরে বাংলাদেশকে কোথায় দেখতে চান, সেই লক্ষ্য সামনে রেখে এখন থেকেই তরুণ প্রজন্মকে প্রস্তুত করার আহ্বান জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের নতুন নতুন উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে কাজ করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, তরুণদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করতে পারে।
বক্তব্যের শেষাংশে জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষাক্ষেত্রে ঐক্য বজায় রাখতে হবে। দেশের স্বার্থকে সবার আগে রেখে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারলে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে।





