মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ পরীক্ষার জন্য আট হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বেশি অর্থ আদায় করা যাবে না। নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, জনশক্তি রপ্তানির ব্যবসাকে মর্যাদাপূর্ণ ও সম্মানজনক অবস্থানে নিতে হবে। কয়েকজনের অনিয়মের কারণে যেন পুরো খাত বিতর্কিত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ব্যবসায়িক স্বার্থের পাশাপাশি দেশের মানুষের কর্মসংস্থান, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং বিদেশে কর্মীদের সংশ্লিষ্ট দেশের আইনকানুন সম্পর্কে সচেতন করার বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো এজেন্সির অবহেলা বা অনিয়মের কারণে যেন দরিদ্র মানুষ সমস্যায় না পড়েন, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম ফজলুল হক মিলন, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমাদুল হক, রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধিসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





