ঢাকা   শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

রোহিঙ্গা আসার পর ১৫ বছরের প্রস্তুতি নিতে বলেছিলাম: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

Authorরেডিও বার্তা অনলাইন

প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:০১ পিএম

রোহিঙ্গা আসার পর ১৫ বছরের প্রস্তুতি নিতে বলেছিলাম: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, যখন রোহিঙ্গা আসা শুরু হয়েছিল, আমি বলেছিলাম ১৫ বছরের প্রস্তুতি নিতে। যখন মনে করা হয়েছিল যে এক-দুই বছরের মধ্যে চলে যাবে; আমার কলিগ বলেছিলেন এটা একটা মানবিক সংকট, আমরা যেন নিরাপত্তাজনিত হিসেবে না দেখি। আমি বলেছিলাম যে এটা মানবিক ইস্যু এবং একইসঙ্গে নিরাপত্তা ইস্যু। এক দুই বছরের মধ্যে ফেরত যাওয়া হবে না। দুর্ভাগ্যবশত আমার কথা ঠিক হয়েছে। আমি বলেছিলাম এদের ফেরত পাঠানোর জন্য ১৫ বছরের প্রস্তুতি নিতে হবে, তার জন্য যা যা করা দরকার সব কিছু করতে হবে।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ডিক্যাব আয়োজিত ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি: পরিবর্তনশীল বিশ্বে প্রাসঙ্গিক ভূমিকা’ শীর্ষক  ডিক্যাব টকে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা এখনও চেষ্টা করে যাচ্ছি যে একটা রোডম্যাপে আসতে পারি কিনা। এখানে সমস্যা অনেক আছে। আশপাশের দেশগুলোর স্বার্থ আছে। আমি কিন্তু তাদের দোষারোপ করতে চাই না। তারা তাদের স্বার্থ অনুযায়ী চেষ্টা করবে; এই সংঘাত থেকে, মিয়ানমারের এই পরিস্থিতি থেকে কতটুকু উদ্ধার করতে পারবে। তাদের দোষারোপ করে লাভ নেই। তাদের আমরা বোঝানোর চেষ্টা করবো, একটা হয়তো মাঝামাঝি অবস্থায় আসা যেতেও পারে। কিন্তু আমি আমাদের বিদেশি অতিথিদের এটাই সব সময় বলে থাকি যে এটা একটা টিকিং টাইম বোম্ব। টাইম বোম্ব কারণ এখানে ৫-৭ লাখ তরুণ মানুষকে একটা ঘেরাটোপের মধ্যে ফেলে রাখবেন সারা জীবন, এটা তারা মানবে না। তারা বিভিন্ন অপকর্মে যুক্ত হবে, যেটার লক্ষণ আমরা দেখছি ইতোমধ্যে। যারা অত্যাচার করে পাঠিয়েছে তাদেরই মাদক এখন তাদের কাছে, অল্প কিছু পয়সার বিনিময়ে। এটার সুবিধাভোগী তারাই, যারা রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার করেছে। এটা একটা বিরাট সমস্যা, আমি জানি না এটা কীভাবে সমাধান হবে। ’

তিনি বলেন, ‘একজন রোহিঙ্গা যাক সেটা আমি চাই না। আমরা যদি ১০০ লোক ফেরত পাঠাতে পারি তাহলে সেটা হবে হবে বড় কার্যক্রমের অংশ। দুইবার চেষ্টা হয়েছে ফেরত পাঠানোর, আমি পত্রিকায় লিখেছি এটার বিরুদ্ধে। ওই কার্যক্রম শুধু মিয়ানমারকে একটা প্রচারণা করার সুযোগ দেবে। আমাদের কোনও উপকার হবে না। ৫ হাজার লোক নিয়ে তারা বলবে যে আমরা দ্বিপাক্ষিক সমাধান করে ফেলেছি। আমি সব সময় এটার বিরোধিতা করেছি। একটা রোডম্যাপ থাকতে হবে সবাইকে ফেরত নেওয়ার। কিন্তু সেটা না হওয়া পর্যন্ত একজন বা এক হাজার রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানোর পক্ষপাতী আমি না। ড. ইউনূস দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি এই বিষয়ে কিছু অগ্রগতি সাধন করতে চান। আলাদা একজন অফিসিয়াল চেয়েছিলেন তিনি শুধু এই ইস্যু দেখার জন্য। সেই সূত্রে প্রথমে একজন আসার কথা ছিল, পরে তো ড. খলিলুর এলেন।’

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন