ঢাকা থেকে খুলনাগামী জাহানাবাদ এক্সপ্রেস যশোরের সিঙ্গিয়া স্টেশনে এসে দীর্ঘ সময় যাত্রাবিরতি দিয়েছে। এতে যাত্রীদের মধ্যে অনেকেই ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাত ৮টায় ঢাকা থেকে খুলনার উদ্দেশে যাত্রা করে জাহানাবাদ এক্সপ্রেস। ট্রেনের নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী রাত সাড়ে ১১টায় খুলনায় পৌঁছানোর কথা। ট্রেনটি রাত ১১টায় সিঙ্গিয়া স্টেশনে পৌঁছায়। এ সময় দীর্ঘক্ষণ সেখানে অবস্থান করে।
ঢাকা-খুলনা রুটে চলাচলকারী জাহানাবাদ এক্সপ্রেস সোমবার ব্যতীত অন্য সব দিন রাত আটটায় ঢাকা স্টেশন থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গিয়ে সিঙ্গিয়া স্টেশনে পৌঁছানোর পর প্রথম প্লাটফর্মে ৪ থেকে ৫ মিনিট অবস্থান করে।
তবে শনিবার সিঙ্গিয়া স্টেশনে পৌঁছানোর পর তিনটি রেললাইন বাদ দিয়ে চতুর্থ রেললাইনে যাত্রাবিরতি করেছে জাহানাবাদ এক্সপ্রেস।
ঢাকা থেকে খুলনাগামী জাহানাবাদ এক্সপ্রেসের যাত্রী আফসার মোল্লা বলেন, আমি এই ট্রেনে ঢাকা থেকে নোয়াপাড়ার উদ্দেশে রওনা হই। পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী রাত দশটা ৫০ মিনিটে স্টেশনে আসার কথা। ট্রেনটি প্রথম যখন চালু হয় তখন সিডিউল অনুযায়ী চলাচল করতো। তবে আস্তে আস্তে সেই সিডিউল আর মানা হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, আজকে ট্রেনের এই স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়টি একেবারেই ভিন্ন রকম। সাধারণত এই স্টেশনে পাঁচ মিনিট সময় স্টপেজ থাকে। আজকে কেন যেন কোনো কারণ ছাড়াই এভাবে অন্য প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।
বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি সিঙ্গিয়া স্টেশনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দীর্ঘ সময় যাত্রা বিরতিতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। যাত্রীদের অনেকেই বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলছেন এভাবে যাত্রাবিরতি দিলে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে অনেকটা সময় লেগে যায়। এ বিষয়ে রেলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা।
তবে শেষ পর্যন্ত ট্রেনটি ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট পরে খুলনা স্টেশনে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
বার্তাবাজার/এমএইচ





