জাতীয় সংসদে নারী ও পুরুষের জন্য সমান অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে আসন সংখ্যা ৬০০-এ উন্নীত করার সুপারিশ করেছে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় একটি সাধারণ এবং একটি নারী সংরক্ষিত আসন রেখে উভয়টিতে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব করেছে তারা।
শনিবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই সুপারিশের কথা জানান কমিশনের প্রধান শিরীন পারভীন হক। এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেদন জমা দেয় কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে শিরীন পারভীন হক বলেন, “নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নকে টেকসই ও কার্যকর করতে হলে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি নিশ্চিত করতেই হবে। আমরা এমন একটি কাঠামো প্রস্তাব করেছি, যেখানে নারী ও পুরুষ উভয়েরই সমান সুযোগ থাকবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের।”
প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় কমিশনের অন্য সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র ফেলো মাহীন সুলতান, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ফৌজিয়া করিম ফিরোজ এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি কল্পনা আক্তার।
উল্লেখ্য, নারীর অধিকার এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণে ইতিবাচক সংস্কার আনার লক্ষ্যেই ২০২৩ সালের ১৮ নভেম্বর মানবাধিকারকর্মী ও নারীপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শিরীন পারভীন হককে প্রধান করে ১০ সদস্যের একটি কমিশন গঠন করেছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।





