ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ভয়াবহ গ্যাস সংকটের মধ্যে এবার এলো যে নতুন খবর

Authorরেডিও বার্তা অনলাইন

প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৩ এএম

ভয়াবহ গ্যাস সংকটের মধ্যে এবার এলো যে নতুন খবর

ভয়াবহ গ্যাস সংকটের মধ্যে এবার এলো যে নতুন খবর

ভয়াবহ গ্যাস সংকটের মধ্যে এবার এলো যে নতুন খবর

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : দেশে এমনিতেই ভয়াবহ গ্যাস সংকট চলছে। এর মধ্যে আজ দুপুর থেকে ২৪ ঘণ্টার জন্য জাতীয় গ্রিডে কমছে ৩০ থেকে ৩৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, মার্কিন কোম্পানি এক্সিলেরেটের একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল মেরামতের কারণে সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

তাই সারা দেশে আজ থেকে গ্যাস সংকট হতে পারে। তিতাস গ্যাসের অধিভুক্ত এলাকায় বসতবাড়িসহ সব শ্রেণির গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের চাপ আরও কমতে পারে। এরই মধ্যে মাসের শুরু থেকেই এলপিজির বাজারে সংকট ও দামের চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার দুপুর ১২টা থেকে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলবে। এ সময় এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কম থাকবে। ফলে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। বিপরীতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৬০ কোটি ঘনফুট। অর্থাৎ প্রতিদিন ১২০ কোটি ঘনফুটের বেশি ঘাটতি থাকছে। এই ঘাটতির বড় অংশ পূরণে আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরতা বাড়লেও টার্মিনাল রক্ষণাবেক্ষণের সময়ে সেই সরবরাহও কমে যাচ্ছে।

গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে বসতবাড়িতে। রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় সকাল ও সন্ধ্যার চাহিদার সময়ে বহু জায়গায় চুলায় আগুন জ্বালানো যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করছেন গ্রাহকরা। শীত মৌসুমে রান্না ও দৈনন্দিন কাজে এই সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

পাইপলাইনের গ্যাসের বিকল্প হিসাবে ব্যবহৃত এলপিজি বাজারেও চলতি মাসের শুরু থেকেই সংকট দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীত মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধি, পরিবহণ জটিলতা এবং আমদানিনির্ভরতার কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় এলপিজি সিলিন্ডার পেতে দেরি, পাশাপাশি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। গ্যাস সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে। অনেক শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, কোথাও কোথাও শিফট কমানো বা উৎপাদন আংশিক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের ঘাটতি থাকায় বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে, যা উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি করছে।

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হলে এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করা হবে। তবে চাহিদার তুলনায় সামগ্রিক সরবরাহ ঘাটতি থাকায় বসতবাড়িসহ সব খাতে পুরোপুরি স্বস্তি ফিরতে সময় লাগতে পারে। সংস্থাটি সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের প্রতি দুঃখপ্রকাশ করেছে এবং সংকটকালীন সময়ে গ্যাসের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন