পাবনার ঈশ্বরদীর রুপপুরে প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করবে আজ। দেশ চূড়ান্ত গন্তব্যের পথে এক বিশাল ধাপ এগিয়ে যাবে। এর মধ্যে দিয়ে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী তালিকায় প্রবেশ করবে বাংলাদেশ। পূর্ণমাত্রায় দুই ইউনিট চালু হলে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে।
এর মধ্যে প্রায় ২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা যাবে, যা ২ কোটি মানুষের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। জানা যায়, ১৫ থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে। এরপর দুই মাসের মধ্যে এটি ৫০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হবে। আর ডিসেম্বরের শেষ বা ২০২৭ সালের জানুয়ারির শুরুতে ১ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা করছে কতৃপক্ষ ।
নীতিনির্ধারকদের তথ্য মতে, প্রথম ইউনিট চালুর পর দ্রুতই দ্বিতীয় ইউনিটও উৎপাদন পর্যায়ে আনার কাজ এগোবে। সব মিলিয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, আর্থিক বিবেচনায় বাংলাদেশের একক প্রকল্প হিসেবে সবচেয়ে বড় প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করছে রাশিয়া। প্রায় এক লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এ প্রকল্পের ৯০ শতাংশ অর্থ ঋণ দিচ্ছে রাশিয়া, যেটা ২৮ বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
রাশিয়ার প্রতিষ্ঠান রোসাটমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
বার্তা বাজার/এস এইচ






