প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত না করে একে একটি সুনির্দিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আইনের আওতায় এনে বদলে ফেলা হচ্ছে। নতুন আইনের মাধ্যমে এই বাহিনীর নাম ও পোশাকও সম্ভবত বদলে যাচ্ছে।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ব্রিফিংয়ের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াসিন এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
র্যাব বিলুপ্তির দাবি ও বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, র্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, র্যাব আর আগের মতো করে থাকছে না।
এত দিন বাহিনীটি আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধীনে কাজ করলেও এখন এর জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ও যুগোপযোগী আইন তৈরি হচ্ছে। এই নতুন আইনের মাধ্যমে র্যাবের জবাবদিহি, কার্যক্রমসহ সবকিছু অনেক বেশি ওয়েল-ডিফাইন্ড থাকবে। এর অংশ হিসেবে বাহিনীর নাম ও পোশাকেও পরিবর্তন আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে রাষ্ট্রে একটি দক্ষ ‘এলিট ফোর্স’ থাকার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে উল্লেখ করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রচলিত পুলিশ বাহিনী যা পারে না, উন্নত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক ইকুইপমেন্টের কারণে এই এলিট ফোর্স তা সফলভাবে মোকাবেলা করতে পারে।
নতুন আইনের ফলে অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো ঝুঁকিগুলো আর থাকবে না।
রাজনৈতিক বা অন্য কোনো উদ্দেশে এই বাহিনীকে আর ব্যবহার করা হবে না বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “পরবর্তী যে বাংলাদেশ আমরা তৈরি করতে চেয়েছি, তার প্রধান উদ্দেশ্যই হলো ‘ইনসাফ’ বা ন্যায়বিচার কায়েম করা। এমনকি শত্রুর প্রতিও ইনসাফ করা হবে।”
তিনি বলেন, যেকোনো নাগরিকের ক্ষেত্রে সরকার আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতি অনুসরণ করবে।





