স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, যে ১৮টি উপজেলায় প্রথম ধাপে টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছিল, সেখানে হামের সংক্রমণের হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ১২২ শতাংশে পৌঁছেছে। এখন পর্যন্ত ২ কোটিরও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
হামে সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ে সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে স্বাধীন তদন্ত চাইছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি যদি ১০ জনকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়েও হাম সংক্রমণে মায়ের বুক খালি হওয়া থামাতে না পারি, তাহলে কি আমি রক্ষা পাব? শুধু শাস্তি দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষা করা এবং কোনো মায়ের বুক যেন সন্তান হারানোর বেদনায় খালি না হয়, তা নিশ্চিত করা।’
গত বছর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে ওষুধ কেনাকাটায় ৫ কোটি টাকার অনিয়ম হয়েছে। এর কোনো তদন্ত হবে কি না— সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কাজ শুরু করেছি, আমাদের যা আছে আগে তো জনস্বাস্থ্যের জন্য সেগুলো ঠিক করতে হবে।’
এর আগে মন্ত্রী কুমিল্লার সদর জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন, খাবারের মান যাচাই করেন। এছাড়া রোগীদের বিভিন্ন অভিযোগের কথা শোনেন।
বার্তা বাজার/এমএমএইচ






