ঢাকা   বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

৫ বছরের মধ্যে কর জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম

৫ বছরের মধ্যে কর জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর জন্য কর ফাঁকির বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়াসহ একগুচ্ছ পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, আগামী ৫ বছরের মধ্যে কর জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে। আর ২০৩৫ সালের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের নবম দিন মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ মো. আব্দুল্লাহ্ এর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এদিন জাতীয় সংসদে উপস্থিত ছিলেন না। নির্ধারিত প্রশ্নের জবাব টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ মো. আব্দুল্লাহ্ প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, ২০২৪-২৫ অর্থবছর অনুযায়ী বাংলাদেশের কর-জিডিপি (Tax-to-GDP Ratio) অনুপাত প্রায় ৭ দশমিক ৩ শতাংশ হতে ৮ শতাংশের মধ্যে, যেইখানে নেপালে এই হার প্রায় ২৩ দশমিক ১ শতাংশ, যা ছোট অর্থনীতি হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের চাইতে অনেক বেশি। বাংলাদেশের এই সমস্যা সমাধানে কোনও পরিকল্পনা নেওয়া হবে কিনা?

লিখিত জবাবে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ইতোমধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড একটি মিডিয়াম অ্যান্ড লং-টার্ম রেভিনিউ স্ট্র্যাটেজি (এমএলটিআরএস) গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর-জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভাগের এন্ড-টু-এন্ড ডিজিটালাইজেশন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। অনলাইন উৎসে কর কর্তন ব্যবস্থাপনার সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। অপ্রয়োজনীয় কর ছাড় ও কর অব্যাহতি কমিয়ে রাজস্ব ব্যয় হ্রাস করা হচ্ছে। কর আইন সরলীকরণ করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ ও কর ঝুঁকি নির্ধারণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন শিল্পখাতভিত্তিক গড় সূচক ব্যবহারপূর্বক ঝুঁকি-ভিত্তিক নিরীক্ষা ও অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। করদাতার তথ্যভান্ডার সমৃদ্ধকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করদাতাদের জন্য এআই ভিত্তিক অনলাইন সেবা কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। কর আইন প্রতিপালনে সচেতনতা বৃদ্ধিকল্পে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। কর ফাঁকির বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ট্যাক্স এক্সপেন্ডিচার পলিসি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক২০২৬ প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নপূর্বক ট্যাক্স এক্সপেন্ডিচার যথা সম্ভব কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পোস্ট ক্লিয়ারেন্স অডিট, মামলা ও বকেয়া, নিলাম, ব্যাংক গ্যারান্টি নগদায়ন, অনিস্পন্ন চালান, ডিফার্ড পেমেন্ট ইত্যাদি খাত হতে অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় কার্যক্রম জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এছাড়া ন্যাশনাল ট্যারিফ পলিসি ২০২৩ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা এবং কাস্টমস স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান ২০২৪–২০২৮ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী লিখিত জবাবে বলেন, ‘আশা করি, এ সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ফলে ৫ বছরের মধ্যে কর জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে। অধিকন্তু, ২০৩৫ সালের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে উন্নীতকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। যেমন: স্ট্রেংথেনিং ডোমেস্টিক রেভিনিউ মোবিলাইজেশন প্রজেক্ট প্রজেক্ট বাস্তবায়ন, কর অব্যাহতি পর্যায়ক্রমে যৌক্তিকীকরণ ইত্যাদি।’

 

বার্তা বাজার/এস এইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন