ঢাকা   শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ড. ইউনূসের কারণে বিশেষ সুবিধা পেয়েছে বাংলাদেশ : প্রেস সচিব

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

আপডেট: ২৩ আগস্ট ২০২৫, ০৩:১৪ পিএম

ড. ইউনূসের কারণে বিশেষ সুবিধা পেয়েছে বাংলাদেশ : প্রেস সচিব

মার্কিন শুল্ক ইস্যুতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আন্তর্জাতিক পরিচিতি থাকায় বাংলাদেশ বিশেষ সুবিধা পেয়েছে বলে জানিয়েছেন সরকারের প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

শনিবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীতে আয়োজিত “মার্কিন শুল্ক ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান ও চ্যালেঞ্জ” শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি বলেন, শুল্কহার কমানোর জন্য শুরু থেকেই অন্তর্বর্তী সরকার আত্মবিশ্বাসী ছিল। বর্তমানে শুল্ক ২০ শতাংশে নামানো সম্ভব হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও কমানোর প্রচেষ্টা চালানো হবে।

প্রেস সচিব আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার আরও সম্প্রসারিত হবে। আলোচনার সময় অন্যান্য দেশের বাজারের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনায় নিয়েই দরকষাকষি করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার পরিবর্তন

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ওপর সম্প্রতি নতুন শুল্কহার ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঘোষণার ফলে বাংলাদেশের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক ৩৫ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ২০ শতাংশে। এর আগে এ বছরের এপ্রিল মাসে ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশের পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেছিল, যা জুলাইয়ে কিছুটা কমিয়ে ৩৫ শতাংশ করা হয়।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ৭ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যেসব পণ্য চালান যাবে, সেসব চালানে নতুন শুল্কহার কার্যকর হবে। তবে ৭ আগস্টের আগে শিপমেন্ট হওয়া চালানে পূর্বের শুল্কহারই বহাল থাকবে।

ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, শিপিং তারিখ ও বিল ইস্যুর তারিখ অনুযায়ী শুল্কহার নির্ধারিত হবে। অর্থাৎ ৭ আগস্ট থেকে যে সব চালান যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হবে, তার ওপরই নতুন শুল্কহার প্রযোজ্য হবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব

এর আগে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রে গড়ে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ হারে শুল্ক দিতে হতো। নতুন ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক যুক্ত হওয়ায় এখন মোট শুল্কহার দাঁড়াল ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশে। তবে এটি বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন হারে প্রযোজ্য হবে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের একক বৃহত্তম বাজার। বর্তমানে দেশটিতে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির ৮৬ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৭ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন