চীনের পক্ষ থেকে আসা ‘টু প্লাস টু’ (দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সংলাপ) এবং অর্থনৈতিক করিডরের মতো প্রস্তাবগুলো সরকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিবেচনা করে দেখবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের উপকার হলে এ ধরনের যৌথ সহযোগিতায় যাবে বাংলাদেশ।
বুধবার (১ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুতে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উন্নতর জায়গায় নিয়ে গেছে। চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডর নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। এ ছাড়া তিস্তা প্রকল্প এবং নদী ব্যবস্থাপনায় ‘ফিজিবিলিটি টেস্ট’ বা সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে কারিগরি সহায়তা দিতে চীন রাজি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অনন্য উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ‘দেশের উপকারের কথা চিন্তা করেই সব দেশের সঙ্গে স্বার্থ হাসিল করবে ঢাকা।’
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় অংশ নিতে ইরান আমন্ত্রণ জানিয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে স্পিকার সেখানে যাচ্ছেন। মুসলিম দেশের এক গুরুত্বপূর্ণ নেতার শেষকৃত্যে যাওয়াকে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক হিসেবেই দেখছে ঢাকা। তবে বিরোধী দল এবং অন্য যে কেউ ব্যক্তিগতভাবে সেখানে যেতেই পারে।
বিদেশে অর্থ পাচারের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, ১০টি দেশ থেকে পাচার হওয়া টাকা ফিরিয়ে আনার চুক্তির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াটি আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।
এদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে সাজার মুখোমুখি করার চেষ্টা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং সরকার এ বিষয়ে জোরালো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।






