এইমাত্র পাওয়া : প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী
এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়াকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের এক ফাঁকে এই বৈঠক শুরু হয়।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে পরীক্ষা আয়োজনের প্রতিবাদে এবং শিক্ষামন্ত্রীর ‘অসংগতিপূর্ণ’ বক্তব্যের জেরে মঙ্গলবার সকাল থেকেই সারা দেশে আন্দোলন শুরু করেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রীকে আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে পদত্যাগ করা এবং জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিয়েছেন। বিকেলে পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে এই ঘোষণা দেন ঢাকা সিটি কলেজের পরীক্ষার্থী মো. মিরাজ হোসেন।
শিক্ষার্থীদের পক্ষে মিরাজ হোসেন বলেন, ‘আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে এবং তার অসংগতিপূর্ণ কথাবার্তার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।’
তিনি আরও দাবি করেন, সোমবার(১৩ জুলাই) প্রতিকূল ও অস্বস্তিকর পরিবেশে যে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাতে যারা অংশ নিয়েছে এবং যারা প্রবল জলাবদ্ধতার কারণে অংশ নিতে পারেনি, সবার কথা বিবেচনা করে ওই পরীক্ষাটি পুনরায় নিতে হবে। একই সঙ্গে বুধবারের নির্ধারিত পরীক্ষা বাতিল করে নতুন রুটিন প্রকাশ ও প্রশ্নপত্রের মানদণ্ড শিক্ষার্থীবান্ধব করার দাবি জানান তিনি।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকায় বিভিন্ন কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা জড়ো হতে শুরু করেন। পরে পৌনে ১২টার দিকে তারা সরাসরি সড়কে নেমে ধানমন্ডি থেকে নিউমার্কেটমুখী রাস্তা পুরোপুরি অবরোধ করেন। এ ছাড়া আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ দীর্ঘ সময় ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘দফা এক দাবি এক, মিলনের পদত্যাগ’, ‘ভোগান্তির দায় নিতে হবে’, ‘বন্যা-জলাবদ্ধতায় পরীক্ষা নয়’সহ নানা ধরনের স্লোগান দেন। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিসংবলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।






