ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার (NAC)-এর মালিক কে.এস.এম. মোস্তাফিজুর রহমান (শ্যামল) অতীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া, ২০২১ সালে বগুড়ার শেরপুরে শস্যক্ষেতে চারা দিয়ে নির্মিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ প্রকল্পের প্রধান পরিকল্পনাকারী, অর্থায়নকারী এবং বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন বলে জানা যায়।
অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় তার প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার (NAC)-এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কার্যক্রমে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে দায়ের হওয়া জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট একটি হত্যা মামলায়ও তিনি আসামি হন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
সম্প্রতি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্রশক্তির সঙ্গে আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ১ আগস্ট শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই আন্দোলনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ৫ কিলোমিটার ম্যারাথনে ‘ছাত্রশক্তি’ ও ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর ব্যানারে আয়োজিত অনুষ্ঠানের নেপথ্যের অর্থদাতা ছিল মোস্তাফিজুর রহমান শ্যামলের প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার (NAC)।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, যদি এসব অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তবে এমন অর্থায়ন জুলাই আন্দোলনের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
বার্তা বাজার/ আইকে






