ঢাকা   মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ডাকসু সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি সরানো কে এই তৈয়ব?

Authorরেডিও বার্তা অনলাইন

প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৮ এএম

ডাকসু সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি সরানো কে এই তৈয়ব?

ডাকসু সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি সরানো কে এই তৈয়ব?

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালায় প্রদর্শিত পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ঘিরে দেশজুড়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংগ্রহশালা থেকে ছবিটি সরিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী আবু তৈয়ব মো. হাবিলদার।

ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে—কে এই আবু তৈয়ব এবং কী কারণে তিনি জিন্নাহর ছবির বিরুদ্ধে এমন প্রতিবাদ জানালেন?

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আবু তৈয়ব ২০০১–০২ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগে ভর্তি হন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো স্নাতক শেষ করতে পারেননি। বর্তমানে তিনি বিভাগের চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়ন করছেন বলে জানিয়েছেন।

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আবেদন করেন আবু তৈয়ব। প্রশাসন তার আবেদন মঞ্জুর করলে তিনি আবার পড়াশোনা শুরু করেন। পরে ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আলোচনায় আসেন। 

নির্বাচনে অংশ নেওয়া ভিপি প্রার্থীদের মধ্যে তিনি ছিলেন সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ। তবে ভোটের মাঠে তেমন সাড়া পাননি; তার প্রাপ্ত ভোট ছিল ১০টি।

জিন্নাহর ছবি সরানোর কারণ ব্যাখ্যা করে আবু তৈয়ব গণমাধ্যমকে বলেন, যে জিন্নাহ আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিলেন, তার ছবি এখানে রাখা হবে এটা মেনে নেওয়া যায় না। ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে তার অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন।

তিনি অভিযোগ করেন, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর জিন্নাহ বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন এবং বাংলাভাষী জনগোষ্ঠীর ওপর উর্দু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। 

আবু তৈয়ব বলেন, যে জিন্নাহ এ দেশের মানুষের মাতৃভাষা বাংলাকে অস্বীকার করেছিলেন এবং উর্দু চাপিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করেছিলেন, তাকে ডাকসুতে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়েছে। ইতিহাসের ওপর এই কালিমালেপনের বিরুদ্ধে আমি ছোট্ট একটি প্রতিবাদ করেছি।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘রক্তের গৌরব’ বহনকারী একটি প্রতিষ্ঠান। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাই ডাকসু সংগ্রহশালায় ইতিহাস উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন